কৃত্রিম নখ লাগানো অবস্থায় অজু শুদ্ধ হবে?
প্রশ্ন: আজকাল অনেকে ফ্যাশনের জন্য কৃত্রিম নখ লাগায়। এ রকম নখ লাগানো অবস্থায় অজু করলে কি অজু হবে? উত্তর: কৃত্রিম নখ লাগানো অবস্থায় অজু করলে আসল নখে পানি পৌঁছে না। তাই কৃত্রিম নখ লাগানো অবস্থায় অজু করলে অজু শুদ্ধ হবে না, ফরজ গোসল করলে ফরজ গোসলও শুদ্ধ হবে না। অজুতে ধৌত করার তিন অঙ্গ অর্থাৎ চেহারা, কনুইসহ হাত ও টাখনুসহ পা পরিপূর্ণরূপে ধোয়া ফরজ। পায়ের গোড়ালি, হাতের কনুই, হাত ও পায়ের নখ ও আঙুল ধুতে হবে। কপালের চুলে গোড়া থেকে থুতনি এবং এক কান থেকে অপর কান পর্যন্ত পুরো চেহারা ধুতে হবে। চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয় এমন কিছু লেগে থাকলে তা সরাতে হবে। হাত ও পায়ের নখসহ এ তিন অঙ্গের ধোয়া ফরজ এমন কোনো অংশ শুকনো থেকে গেলে অজু শুদ্ধ হবে না। আর অজু শুদ্ধ না হলে নামাজও শুদ্ধ হবে না। নামাজের মধ্যে কেউ যদি দেখে বা মনে পড়ে তার অজুর অঙ্গগুলোর কোনো অংশ শুকনো থেকে গেছে, তাহলে নামাজ ছেড়ে ওই অংশটুকু ধুয়ে নেবে। আর ওই অবস্থায় নামাজ পড়ে ফেললে ওই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে। আরও পড়ুন কৃত্রিম নখ ও পাপড়ি ব্যবহার করা কি জায়েজ? আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, এক সফরে রাসুল (সা.) আমাদের পেছনে রয়ে গ
প্রশ্ন: আজকাল অনেকে ফ্যাশনের জন্য কৃত্রিম নখ লাগায়। এ রকম নখ লাগানো অবস্থায় অজু করলে কি অজু হবে?
উত্তর: কৃত্রিম নখ লাগানো অবস্থায় অজু করলে আসল নখে পানি পৌঁছে না। তাই কৃত্রিম নখ লাগানো অবস্থায় অজু করলে অজু শুদ্ধ হবে না, ফরজ গোসল করলে ফরজ গোসলও শুদ্ধ হবে না।
অজুতে ধৌত করার তিন অঙ্গ অর্থাৎ চেহারা, কনুইসহ হাত ও টাখনুসহ পা পরিপূর্ণরূপে ধোয়া ফরজ। পায়ের গোড়ালি, হাতের কনুই, হাত ও পায়ের নখ ও আঙুল ধুতে হবে। কপালের চুলে গোড়া থেকে থুতনি এবং এক কান থেকে অপর কান পর্যন্ত পুরো চেহারা ধুতে হবে। চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয় এমন কিছু লেগে থাকলে তা সরাতে হবে। হাত ও পায়ের নখসহ এ তিন অঙ্গের ধোয়া ফরজ এমন কোনো অংশ শুকনো থেকে গেলে অজু শুদ্ধ হবে না। আর অজু শুদ্ধ না হলে নামাজও শুদ্ধ হবে না।
নামাজের মধ্যে কেউ যদি দেখে বা মনে পড়ে তার অজুর অঙ্গগুলোর কোনো অংশ শুকনো থেকে গেছে, তাহলে নামাজ ছেড়ে ওই অংশটুকু ধুয়ে নেবে। আর ওই অবস্থায় নামাজ পড়ে ফেললে ওই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে।

কৃত্রিম নখ ও পাপড়ি ব্যবহার করা কি জায়েজ?
আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, এক সফরে রাসুল (সা.) আমাদের পেছনে রয়ে গিয়েছিলেন। আমরা আসরের নামাজ শুরু করতে দেরি করে ফেলেছিলাম। তিনি যখন আমাদের কাছে পৌঁছলেন, আমরা অজু করছিলাম এবং তাড়াহুড়ার কারণে আমাদের পা মাসেহ করার মত হালকাভাবে ধুয়ে নিচ্ছিলাম। তখন রাসুল (সা.) উচ্চৈস্বরে বললেন, সর্বনাশ! (শুকনো) গোড়ালির লোকেরা জাহান্নামে যাবে, তোমরা পূর্ণরূপে অজু করো। (সহিহ মুসলিম)
আরেকটি বর্ণনায় লাকিত ইবনে সাবিরাহ (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললাম, আমাকে অজু সম্পর্কে বলুন। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, অজুর অঙ্গগুলো পরিপূর্ণভাবে ধুবে। আঙ্গুলগুলোর মধ্যে আঙ্গুল ঢুকিয়ে খিলাল করবে এবং উত্তমরূপে নাকে পানি পৌঁছাবে, যদি রোজাদার না হও। (সুনানে আবু দাউদ)
অজুর সময় কোনো অঙ্গ বা কোনো অঙ্গের একাংশ শুকনো থেকে যায়, তাহলে পরবর্তীতে সেটা বুঝতে পারার পর শুধু ওই অঙ্গ বা ওই অংশটুকু ধুয়ে নিলে ওজু সম্পন্ন হয়ে যাবে। শুধু ওই অংশ শুকনো থাকার কারণে নতুন করে অজু করতে হবে না। উবাইদ ইবনে উমাইর (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওমর (রা.) একবার এক লোককে দেখতে পেলেন, ওজুতে তার পায়ের একটি অংশ শুকনো থেকে গেছে। তাকে বললেন, এমন অসম্পূর্ণ ওজু নিয়েই নামাজ পড়তে চলে এসেছ? তখন তিনি তাকে সেই শুকনো অংশটি ধুয়ে পুনরায় নামাজ পড়ার নির্দেশ দেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা)

নেইলপলিশ ব্যবহার করা কি জায়েজ?
ওএফএফ
What's Your Reaction?