‘কৃষকের ছেলে এমপি হবে স্বপ্নেও ভাবিনি’

‘আমার বাবা কৃষক ছিলেন। এই সমাজে ডাক্তারের ছেলে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার, কৃষকের ছেলে কৃষক হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কৃষকের ছেলে এমপি হবে এটা স্বপ্নেও ভাবিনি।’ আবেগঘন কণ্ঠে কথাগুলো বলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিজের পারিবারিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার বাবা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। কিন্তু তিনি তার সন্তানদের অনেক দূর পর্যন্ত পড়ালেখা করিয়েছেন। এই জীবনে আমার আর পাওয়ার কিছু নেই।’ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো কাজে পার্সেন্টেজ নেই না, কাউকে নিতেও দেবো না। আমি কাজের মান নিশ্চিত করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য।’ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জুবায়রা বেগম সাথী বলেন, ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সাধারণ কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপ

‘কৃষকের ছেলে এমপি হবে স্বপ্নেও ভাবিনি’

‘আমার বাবা কৃষক ছিলেন। এই সমাজে ডাক্তারের ছেলে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারের ছেলে ইঞ্জিনিয়ার, কৃষকের ছেলে কৃষক হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কৃষকের ছেলে এমপি হবে এটা স্বপ্নেও ভাবিনি।’ আবেগঘন কণ্ঠে কথাগুলো বলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের পারিবারিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার বাবা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। কিন্তু তিনি তার সন্তানদের অনেক দূর পর্যন্ত পড়ালেখা করিয়েছেন। এই জীবনে আমার আর পাওয়ার কিছু নেই।’

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো কাজে পার্সেন্টেজ নেই না, কাউকে নিতেও দেবো না। আমি কাজের মান নিশ্চিত করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জুবায়রা বেগম সাথী বলেন, ‘আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সাধারণ কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপাদন এবং প্রযুক্তিনির্ভর সবজি চাষের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকদের বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনে দক্ষ করে তোলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

কংগ্রেসের অংশ হিসেবে ‘পার্টনার অ্যাক্টিভিটি অ্যান্ড ভিশন ডিসপ্লে’ এবং ‘প্ল্যান্ট ডক্টরস ক্লিনিক’ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা, গ্যাপ (গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস), রপ্তানিমুখী কৃষি উৎপাদন এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়া স্মার্ট কৃষির অংশ হিসেবে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ফলন পূর্বাভাস এবং রোবোটিক হার্ভেস্টিং প্রযুক্তির প্রদর্শনী কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক তৌফিক আহমদ খান এবং খামারবাড়ির উপপরিচালক মো. এনামুল হক। সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম।

এসময় শতাধিক কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সংসদ সদস্য কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন।

হোসাইন সুলভ/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow