কেন আজই বিশ্ব পিয়ানো দিবস?

জ্যাক আর রোজের সেই অমর প্রেমকাহিনীতে সেলিন ডিয়নের কণ্ঠের পেছনে যে সুরটি আমাদের বুক কাঁপিয়ে দিয়েছিল, সেটি ছিল পিয়ানোর। আবার বলিউডের রাজেশ খান্না যখন ‘পেয়ার দিওয়ানা হোতা হ্যায়’ গেয়ে ওঠেন, তখন পিয়ানোর প্রতিটি টুংটাং শব্দে প্রেম যেন জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়। আজ সেই মায়াবী সুরের দিন— বিশ্ব পিয়ানো দিবস। কবে শুরু? জার্মান পিয়ানোবাদক নিলস ফ্রাম ২০১৫ সালে প্রথম এই এই দিবসটি উদযাপনের সূচনা করেন। তারপর থেকে পিয়ানো বাদক, সুরকার, এবং শ্রোতাদের মাঝে এটি একটি বৈশ্বিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পিয়ানো কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি আবেগ প্রকাশের এক শক্তিশালী মাধ্যম। ক্ল্যাসিকাল থেকে জ্যাজ, কিংবা আধুনিক পপ—সবখানেই পিয়ানোর একচ্ছত্র আধিপত্য। কেন আজই পিয়ানো দিবস? কাকতালীয় হলেও সুন্দর, বছরের ৮৮তম দিনে পালিত হয় এই দিবস। কিন্তু কেন ৮৮তম দিন? উত্তরটা পিয়ানোর শরীরেই লুকিয়ে আছে। একটি স্ট্যান্ডার্ড পিয়ানোতে ঠিক ৮৮টি চাবি বা কি থাকে। এই অদ্ভুত সুন্দর মিল থেকেই দিবসটি উদযাপনের শুরু। ঢালিউড থেকে হলিউড সবকিছুতেই পিয়ানোর সুর পিয়ানো মানেই এক রাজকীয় আভিজাত্য। তাই তো শাহরুখ খান যখন ‘ইয়েস বস’-এ পিয়ানোর সামনে বসেন, তখন

কেন আজই বিশ্ব পিয়ানো দিবস?
জ্যাক আর রোজের সেই অমর প্রেমকাহিনীতে সেলিন ডিয়নের কণ্ঠের পেছনে যে সুরটি আমাদের বুক কাঁপিয়ে দিয়েছিল, সেটি ছিল পিয়ানোর। আবার বলিউডের রাজেশ খান্না যখন ‘পেয়ার দিওয়ানা হোতা হ্যায়’ গেয়ে ওঠেন, তখন পিয়ানোর প্রতিটি টুংটাং শব্দে প্রেম যেন জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়। আজ সেই মায়াবী সুরের দিন— বিশ্ব পিয়ানো দিবস। কবে শুরু? জার্মান পিয়ানোবাদক নিলস ফ্রাম ২০১৫ সালে প্রথম এই এই দিবসটি উদযাপনের সূচনা করেন। তারপর থেকে পিয়ানো বাদক, সুরকার, এবং শ্রোতাদের মাঝে এটি একটি বৈশ্বিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পিয়ানো কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি আবেগ প্রকাশের এক শক্তিশালী মাধ্যম। ক্ল্যাসিকাল থেকে জ্যাজ, কিংবা আধুনিক পপ—সবখানেই পিয়ানোর একচ্ছত্র আধিপত্য। কেন আজই পিয়ানো দিবস? কাকতালীয় হলেও সুন্দর, বছরের ৮৮তম দিনে পালিত হয় এই দিবস। কিন্তু কেন ৮৮তম দিন? উত্তরটা পিয়ানোর শরীরেই লুকিয়ে আছে। একটি স্ট্যান্ডার্ড পিয়ানোতে ঠিক ৮৮টি চাবি বা কি থাকে। এই অদ্ভুত সুন্দর মিল থেকেই দিবসটি উদযাপনের শুরু। ঢালিউড থেকে হলিউড সবকিছুতেই পিয়ানোর সুর পিয়ানো মানেই এক রাজকীয় আভিজাত্য। তাই তো শাহরুখ খান যখন ‘ইয়েস বস’-এ পিয়ানোর সামনে বসেন, তখন স্ক্রিনে রোমান্টিকতা অন্য মাত্রা পায়। অন্যদিকে, আমাদের বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগে ফিরে তাকালে দেখা যায় ‘নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা’—পর্দায় রাজ্জাকের সেই সাবলীল উপস্থিতি আর পিয়ানোর সুর যেন মিলেমিশে একাকার। কিংবা ‘পিচ ঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি’—যেখানে সুরের মূর্ছনায় পিয়ানো হয়ে উঠেছে নাগরিক জীবনের একাকীত্বের সঙ্গী। পিয়ানোর রিড যেন কেবল সংগীত নয়, বরং চরিত্রের সুখ-দুঃখের এক বিমূর্ত সঙ্গী হয়ে উঠেছে। পিয়ানোর ইতিহাস কয়েক শতক ধরে বিবর্তিত হয়েছে পিয়ানো। ১৭০০ সালে ইতালিতে একটি বাদ্যযন্ত্র তৈরি হয়। নাম ছিল হার্পসিকড। ওই যন্ত্রের আবিষ্কারক ছিলেন ইতালির এক সঙ্গীতশিল্পী বার্তেলোমিউ ক্রিস্টোফারি। ধীরে ধীরে চেহারা বদল হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন মোটামুটি ১৮০০ শতকের শেষদিক থেকে আধুনিক পিয়ানোর চেহারা সামনে আসে। যা এখন আরও উন্নত হয়েছে।  পিয়ানোর খুঁটিনাটি কি-বোর্ডের উপর নির্ভর করে মূলত তিনভাগে ভাগ করা যায় পিয়ানো। ৬৬, ৭২ এবং ৮৮-এই তিনটি আলাদা আলাদা কি-এর পিয়ানো রয়েছে। এর মধ্যে ৮৮টি কি-বোর্ডের পিয়ানো ক্ল্যাসিকাল পিয়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। যান্ত্রিক এই জীবনে একটুখানি প্রশান্তি পেতে পিয়ানোর সুরের বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, পিয়ানোর মৃদু সুর মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। মোজার্ট, বিটোফেন থেকে শুরু করে আমাদের প্রিয় কোনো সিনেমার থিম সং—আজকের দিনটি হতে পারে প্রিয় পিয়ানো পিসটি শোনার সেরা উপলক্ষ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow