কেন্দ্রে জিতেই জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর

ফেনীর সোনাগাজীতে কেন্দ্রে জয় পেয়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফেনী-৩ আসনের পাইকপাড়া কেন্দ্রে ২৫ ভোট বেশি পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু জয়লাভ করেন। ভুক্তভোগী বগাদানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি জাবেদ জানান, ‘মাত্র ২৫ ভোটে জয়লাভ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আমার বাড়ি ও দোকানে হামলা, মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এছাড়া সোনাগাজীর বগাদানা ইউনিয়ন সভাপতি আবদুল হাইয়ের বাড়িতে হামলা চালায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। একই কেন্দ্রে জামায়াতের এজেন্ট আতা উল্লাহর বাবার দোকান, জামায়াত কর্মী নূরে এলাহীর দোকান ভাঙচুর করে তারা। এদিকে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর জামায়াত সন্দেহে আবদুল নামে এক শিক্ষকের ওপর হামলা ও জামায়াতের কেন্দ্রের এজেন্ট মাসুমের দোকান হামলা চালায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নেতাকর্মীদের যাকে যেখানে পাচ্ছে মারধর করছে। পুরো এলাকায় বোমা পাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। হামলায় বিএনপির নেতা ইউসুফ ও

কেন্দ্রে জিতেই জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর

ফেনীর সোনাগাজীতে কেন্দ্রে জয় পেয়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ফেনী-৩ আসনের পাইকপাড়া কেন্দ্রে ২৫ ভোট বেশি পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু জয়লাভ করেন।

ভুক্তভোগী বগাদানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি জাবেদ জানান, ‘মাত্র ২৫ ভোটে জয়লাভ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আমার বাড়ি ও দোকানে হামলা, মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এছাড়া সোনাগাজীর বগাদানা ইউনিয়ন সভাপতি আবদুল হাইয়ের বাড়িতে হামলা চালায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। একই কেন্দ্রে জামায়াতের এজেন্ট আতা উল্লাহর বাবার দোকান, জামায়াত কর্মী নূরে এলাহীর দোকান ভাঙচুর করে তারা।

এদিকে মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার পর জামায়াত সন্দেহে আবদুল নামে এক শিক্ষকের ওপর হামলা ও জামায়াতের কেন্দ্রের এজেন্ট মাসুমের দোকান হামলা চালায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের নেতাকর্মীদের যাকে যেখানে পাচ্ছে মারধর করছে। পুরো এলাকায় বোমা পাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।

হামলায় বিএনপির নেতা ইউসুফ ও তুষার, জাবেদ স্বপন ও রুবেল নেতৃত্ব দিয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছে।

অভিযুক্ত তুষারের নিকট মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বহিরাগত কারা এসে হামলা করেছে, আমি জানি না।

আরেক অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ইউসুফ বলেন, ফলাফল ঘোষণার সময় বাড়িতে ছিলাম। এখনো বাড়িতে আছি। এ ব্যাপারে কোনো কিছু আমার জানা নেই।

সোনাগাজী মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘হামলা-ভাঙচুরের বিষয়টি জেনেছি। তবে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আবদুল্লাহ আল-মামুন/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow