কেরানীগঞ্জে এয়ার ফ্রেশনার তৈরি কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১
ঢাকার কেরানীগঞ্জে এয়ার ফ্রেশনার তৈরি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কারখানায় থাকা সাব্বির রহমান (১৯) নামে এক শ্রমিক ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। নিহত সাব্বির রহমান পাবনা সদর থানার কোলাদী গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে। দুর্ঘটনার পর তার মরদেহ উদ্ধার করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্গে রাখা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে কালিন্দি ইউনিয়নের আড্ডা রেস্টুরেন্টের গলির শেষ প্রান্তে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলাকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এয়ার ফ্রেশনার তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে। বর্তমানে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওমর ফারুক। তিনি ঘটনাটি দুঃখজনক উ
ঢাকার কেরানীগঞ্জে এয়ার ফ্রেশনার তৈরি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কারখানায় থাকা সাব্বির রহমান (১৯) নামে এক শ্রমিক ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। নিহত সাব্বির রহমান পাবনা সদর থানার কোলাদী গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে। দুর্ঘটনার পর তার মরদেহ উদ্ধার করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মর্গে রাখা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে কালিন্দি ইউনিয়নের আড্ডা রেস্টুরেন্টের গলির শেষ প্রান্তে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলাকালে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এয়ার ফ্রেশনার তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে। বর্তমানে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওমর ফারুক। তিনি ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন। পরে লাশ দাফনের জন্য নিহতের ভাই বরকত উল্লার কাছে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
What's Your Reaction?