কোচের যৌন হেনস্তার শিকার কিশোরী বক্সার

দীর্ঘদিন ধরে এক কিশোরী বক্সারকে যৌন হেনস্তা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে কোচের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বেঙ্গালুরু পুলিশ ৫০ বছর বয়সি ওই কোচকে গ্রেফতার করেছে। কিশোরীর বয়স ১৭ বছর। সে ১০ বছর ধরে কান্তিরাভা স্টেডিয়ামের একটি ক্লাবে বক্সিং শেখে। এতদিন সব কিছু ঠিকঠাক চললেও ছয়-সাত মাস আগে থেকে তৈরি হয় সমস্যা। বক্সিং কোচ রামচন্দ্রের কুনজরে পড়ে ওই কিশোরী। তাকে নানাভাবে হেনস্তা শুরু করে সে। চার বছর আগে লায়ন্স বক্সিং ক্লাবে যোগ দিয়েছিল তামিলনাড়ুর বাসিন্দা রামচন্দ্র। তার বিরুদ্ধে এর আগেও মহিলাদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। জানা যায়, ১৭ মে চেন্নাইয়ে রাজ্য বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালীন বক্সিং কোচের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে অভিযোগ করেন নির্যাতিতার মা। তিনি জানিয়েছেন, রামচন্দ্র তার মেয়েকে একটি ফাঁকা ঘরে ডেকে পাঠায়। সেখানে তার সঙ্গে অশ্লীল ব্যবহার করা হয়। কোনও রকম বাধা না মেনে ওই কিশোরীর গোপনাঙ্গে স্পর্শ করে। জোর করে চুম্বনও করে। নির্যাতিতার মায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এই ঘটনা একবার নয়, এর আগেও বেঙ্গালুরুতে অনুশীলনের সময় একই ধরনের হেনস্তার শিকার হয়েছিল মেয়েটি। বিষয়টি প্রকাশ

কোচের যৌন হেনস্তার শিকার কিশোরী বক্সার
দীর্ঘদিন ধরে এক কিশোরী বক্সারকে যৌন হেনস্তা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে কোচের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বেঙ্গালুরু পুলিশ ৫০ বছর বয়সি ওই কোচকে গ্রেফতার করেছে। কিশোরীর বয়স ১৭ বছর। সে ১০ বছর ধরে কান্তিরাভা স্টেডিয়ামের একটি ক্লাবে বক্সিং শেখে। এতদিন সব কিছু ঠিকঠাক চললেও ছয়-সাত মাস আগে থেকে তৈরি হয় সমস্যা। বক্সিং কোচ রামচন্দ্রের কুনজরে পড়ে ওই কিশোরী। তাকে নানাভাবে হেনস্তা শুরু করে সে। চার বছর আগে লায়ন্স বক্সিং ক্লাবে যোগ দিয়েছিল তামিলনাড়ুর বাসিন্দা রামচন্দ্র। তার বিরুদ্ধে এর আগেও মহিলাদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। জানা যায়, ১৭ মে চেন্নাইয়ে রাজ্য বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালীন বক্সিং কোচের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে অভিযোগ করেন নির্যাতিতার মা। তিনি জানিয়েছেন, রামচন্দ্র তার মেয়েকে একটি ফাঁকা ঘরে ডেকে পাঠায়। সেখানে তার সঙ্গে অশ্লীল ব্যবহার করা হয়। কোনও রকম বাধা না মেনে ওই কিশোরীর গোপনাঙ্গে স্পর্শ করে। জোর করে চুম্বনও করে। নির্যাতিতার মায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এই ঘটনা একবার নয়, এর আগেও বেঙ্গালুরুতে অনুশীলনের সময় একই ধরনের হেনস্তার শিকার হয়েছিল মেয়েটি। বিষয়টি প্রকাশ করলে গুরুতর ক্ষতি করার হুমকিও দিয়েছিল অভিযুক্ত কোচ। সেই আতঙ্কেই এতদিন কাউকে কিছু বলতে পারেনি কিশোরী। এমনকী নিজের পরিবারকেও নয়।  দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা এই অত্যাচার আর সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত সে মাকে সব ঘটনার কথা জানায়। পুলিশ রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫১ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। আদালতের নির্দেশে তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রাল জেলেই রাখা হয়েছে অভিযুক্তকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow