কোটিপতি সুজাতের ব্যাংকে টাকা নেই

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী হয়েছেন সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা থাকলেও সবগুলোই নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী হলেও দেশের বাইরে কোনো সম্পদ নেই। নগদ আছে ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে পৌনে সাত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে শেখ সুজাতের। তবে ব্যাংকে তার কোনো টাকা জমা নেই। তার জমা দেওয়া হলফনামা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। হলফনামা সূত্রে আরও জানা যায়, শেখ সুজাতের দুই স্ত্রী থাকলেও তাদের কারও নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বা নগদ টাকা নেই। তিনি দুবার বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি এবং ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে জয়ী হন তিনি। হলফনামায় শেখ সুজাত মিয়া উল্লেখ করেন, তার পেশা ব্যবসা। দুই স্ত্রীর দুজনই গৃহিণী। আয়ের উৎস হিসেবে কৃষি, স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া এবং লাইসেন্স ফি, সম্মানী, উপহার, সরকারি অনুদান ইত্যাদি উল্লেখ করেছেন। কৃষিখাত থেকে তার বছরে আয় এক লাখ টাকা, স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া পান এক লাখ ৭০ হাজার টাকা; লাইসেন্স ফি, সম্মানী, উপহার, সরকারি অনুদান ই

কোটিপতি সুজাতের ব্যাংকে টাকা নেই

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী হয়েছেন সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া। তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা থাকলেও সবগুলোই নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী হলেও দেশের বাইরে কোনো সম্পদ নেই। নগদ আছে ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।

স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে পৌনে সাত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে শেখ সুজাতের। তবে ব্যাংকে তার কোনো টাকা জমা নেই। তার জমা দেওয়া হলফনামা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হলফনামা সূত্রে আরও জানা যায়, শেখ সুজাতের দুই স্ত্রী থাকলেও তাদের কারও নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বা নগদ টাকা নেই।

তিনি দুবার বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি এবং ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে জয়ী হন তিনি।

হলফনামায় শেখ সুজাত মিয়া উল্লেখ করেন, তার পেশা ব্যবসা। দুই স্ত্রীর দুজনই গৃহিণী। আয়ের উৎস হিসেবে কৃষি, স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া এবং লাইসেন্স ফি, সম্মানী, উপহার, সরকারি অনুদান ইত্যাদি উল্লেখ করেছেন।

কৃষিখাত থেকে তার বছরে আয় এক লাখ টাকা, স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া পান এক লাখ ৭০ হাজার টাকা; লাইসেন্স ফি, সম্মানী, উপহার, সরকারি অনুদান ইত্যাদি খাত থেকে পান তিন লাখ ৮০ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ আছে ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। রয়েছে ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ২৯ টাকা মূল্যের গাড়ি। গহনা চার হাজার টাকার, আসবাবপত্র আছে তিন হাজার টাকার। সবমিলিয়ে ৯৮ লাখ ৪ হাজার ৫২৯ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে সুজাতের।

স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে কৃষিজমি আছে পাঁচ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার টাকার। অকৃষি জমি ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকার। আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন আছে ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকার। তবে এসব জমির কোনোটিরই পরিমাণ উল্লেখ নেই। সবমিলিয়ে তার স্থাবর সম্পদ আছে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ৭৯ হাজার টাকার।

শেখ সুজাত মিয়া সবশেষ অর্থবছরে আয়কর পরিশোধ করেছেন ২২ হাজার টাকা। তার স্ত্রী আয়কর পরিশোধ করেছেন তিন হাজার টাকা। আয়কর রিটার্নে স্ত্রীর বছরে আয় দেখানো হয়েছে চার লাখ ৩০ হাজার টাকা স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৮৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ টাকা। তবে সেটি কোন স্ত্রীর তার উল্লেখ নেই।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow