কোনো ‘কাগুজে চুক্তি’ সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দেবে না: ইরানি সংসদ সদস্য
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তারের মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর এবার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের এক সংসদ সদস্য। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তুরস্ক ও পাকিস্তারের সঙ্গে করা ‘কাগুজে’ নিরাপত্তা চুক্তি সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তারের মধ্যে শুক্রবার (৭ আগস্ট) নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পরই এমন মন্তব্য করেন ইব্রাহিম রেজাই। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই তিন দেশ এই সামরিক সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নেয়। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ইরানের সংসদ সদস্য ইব্রাহিম রেজাই বলেন, তুরস্ক ও পাকিস্তারের সঙ্গে করা একটি ‘কাগুজে চুক্তি’ সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে- এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের উদাহরণও টানেন। রেজাই বলেন, সৌদিদের বুঝতে হবে, তুরস্ক ও পাকিস্তারের সঙ্গে একটি কাগুজে চুক্তি তাদের নিরাপত্তা এনে দেবে না। যেমনটি বছরের পর বছর একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করেও তারা নিরাপত্তা পায়নি। সৌদি আরবের উচিত নিজেদের পররাষ্ট্রনীতি পুনর্বিবেচনা করা ও বাইরের শক্তির ওপর ন
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তারের মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর এবার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের এক সংসদ সদস্য। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তুরস্ক ও পাকিস্তারের সঙ্গে করা ‘কাগুজে’ নিরাপত্তা চুক্তি সৌদি আরবকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তারের মধ্যে শুক্রবার (৭ আগস্ট) নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পরই এমন মন্তব্য করেন ইব্রাহিম রেজাই। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই তিন দেশ এই সামরিক সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নেয়।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ইরানের সংসদ সদস্য ইব্রাহিম রেজাই বলেন, তুরস্ক ও পাকিস্তারের সঙ্গে করা একটি ‘কাগুজে চুক্তি’ সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে- এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের উদাহরণও টানেন।
রেজাই বলেন, সৌদিদের বুঝতে হবে, তুরস্ক ও পাকিস্তারের সঙ্গে একটি কাগুজে চুক্তি তাদের নিরাপত্তা এনে দেবে না। যেমনটি বছরের পর বছর একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করেও তারা নিরাপত্তা পায়নি। সৌদি আরবের উচিত নিজেদের পররাষ্ট্রনীতি পুনর্বিবেচনা করা ও বাইরের শক্তির ওপর নির্ভর না করে নিজেদের আঞ্চলিক স্বার্থকে কেন্দ্র করেই নিরাপত্তা কৌশল গড়ে তোলা।
ইরানি এই আইনপ্রণেতার ভাষায়, আপনাদের (সৌদি) নীতিগুলো সংস্কার করুন, যাতে নিরাপত্তার জন্য অন্যের কাছে ভিক্ষা চাইতে না হয়।
সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তারের প্রতিরক্ষা চুক্তি
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের উপস্থিতিতে তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির লক্ষ্য হলো তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করা ও যে কোনো হামলার বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তোলা।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো- যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ শক্তিশালী করা। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন রাষ্ট্রের যে কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিনটির সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের ব্যবস্থাও এতে রাখা হয়েছে।
নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবকে উদ্দেশ করে ইরানের এই কঠোর বার্তা সামনে এলো।
সূত্র: আল-জাজিরা
এসএএইচ
What's Your Reaction?