কোনো দেশের আচরণ মর্যাদাহানিকর হলে জবাব দেওয়ার অধিকার রাখি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, কোনো দেশের আচরণ যদি আমাদের দেশের জন্য মর্যাদাহানিক হিসেবে বিবেচিত হয়, তখন আমরা জবাব দেওয়ার অধিকার রাখি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন উপদেষ্টা। সৈয়দা রিজওয়ানা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। একটি রাজনৈতিক দল মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘যদি কোনো প্রার্থী বা দল যথাযথ প্রমাণ দিয়ে দেখাতে পারে যে কোনো রিটার্নিং অফিসার পক্ষপাতিত্ব করেছেন বা দ্বৈত মানদণ্ড অনুসরণ করেছেন, তা নির্বাচন কমিশন দেখবে। আমাদেরও যদি যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ হাতে আসে, আমরা তা বিবেচনা করে ইসিকে ফরওয়ার্ড করতে পারি।’ ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া নিয়ে এক ধরনের টানাপোড়ন চলছে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ওই ভেন্যুতে খেলবে না।’ একদিকে, আমরা ভারত থেকে চালসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আনছি। বাণ

কোনো দেশের আচরণ মর্যাদাহানিকর হলে জবাব দেওয়ার অধিকার রাখি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, কোনো দেশের আচরণ যদি আমাদের দেশের জন্য মর্যাদাহানিক হিসেবে বিবেচিত হয়, তখন আমরা জবাব দেওয়ার অধিকার রাখি।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন উপদেষ্টা। সৈয়দা রিজওয়ানা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন।

একটি রাজনৈতিক দল মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘যদি কোনো প্রার্থী বা দল যথাযথ প্রমাণ দিয়ে দেখাতে পারে যে কোনো রিটার্নিং অফিসার পক্ষপাতিত্ব করেছেন বা দ্বৈত মানদণ্ড অনুসরণ করেছেন, তা নির্বাচন কমিশন দেখবে। আমাদেরও যদি যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ হাতে আসে, আমরা তা বিবেচনা করে ইসিকে ফরওয়ার্ড করতে পারি।’

ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া নিয়ে এক ধরনের টানাপোড়ন চলছে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ওই ভেন্যুতে খেলবে না।’

একদিকে, আমরা ভারত থেকে চালসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আনছি। বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বাণিজ্যিক সম্পর্কটা সরকার কোনোভাবে নষ্ট করতে চায় না। এবং এর মাধ্যমে অন্য যে সমস্যা আছে, সেটাও নিরসন হবে- এ বিষয়ে সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, ‘যার সঙ্গে আপনার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, প্রয়োজনে তার সঙ্গে তো চোখে চোখ রেখে কথা বলা যায়। সেটা বিষয় না। বিষয়টা হচ্ছে, ইন জেনারেল আমাদের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব। আর ভারত হচ্ছে আমাদের বৃহত্তম প্রতিবেশী, তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সবসময়ই বন্ধুত্বপূর্ণ থাকবে— এটাই আমরা চাই।’

‘কিন্তু যখন দেখি যে কোনো একটা দেশের আচরণে আমাদের দেশের জন্য মর্যাদাহানিকর বিবেচিত হচ্ছে, তাহলে সেখানে তো আমরা রেসপন্ড করার অধিকার অবশ্যই রাখি। এবং এ রেসপন্সটা আমরা অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে করেছি। এখন এই জায়গাতে যদি আমাদের একটা রেসপন্স করার প্রয়োজন দেখা দেয়, তার অর্থ এ না যে অন্য সব জায়গায় আমরা একই রকম অ্যাটিটিউডে থাকবো।’

তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে যেখানে আমাদের মনে হয় যে আমাদের নিজের দেশের মর্যাদার স্বার্থে, নিজের নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে, বাংলাদেশকে তার পররাষ্ট্র নীতির যে একটা মূলমন্ত্র আছে, একই সঙ্গে একটা গাম্ভীর্য আছে, এটা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা দরকার, সেক্ষেত্রে আমরা অবশ্যই প্রতিক্রিয়া দেখাবো।’

আরএমএম/এমএএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow