কোনো ফেবারিট নেই, শিরোপা উন্মুক্ত: রাবাদা

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ক্রিকেট বোদ্ধাদের মতে, সহ-আয়োজক ভারতই শিরোপার প্রধান দাবিদার। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংস্করণে দলটির ফর্মও বলছ সেই কথা। রানের বন্যা বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কথাও বলা হচ্ছে এবারের আসরে। তবে কাগিসো রাবাদা বরাবরের মতোই সেই প্রচলিত ধারণার বাইরে হাঁটলেন। রাবাদার মতে, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ভারতের টানা নয়টি সিরিজ জয় যতটা একতরফা ছবি আঁকে, বাস্তবতা ততটা সহজ নয়। শুধু তাই নয়, তিনি মনে করেন না যে এই বিশ্বকাপে বোলাররা পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়বেন। আহমেদাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে রাবাদা বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে কাউকেই ফেবারিট বলা যায় না। শিরোপা যে কারও হতে পারে। আমরাও অবশ্যই সেই চেষ্টা চালাবো। ভারতের ক্যাম্পে ঠিক কী চলছে, সেটা আমি জানি না। তবে এই টুর্নামেন্ট পুরোপুরি উন্মুক্ত।’ গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রথম তিনটি ম্যাচই খেলবে আহমেদাবাদে। রানবন্যা নিয়ে অনেক আলাপ হলেও সেখানকার উইকেট প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রাবাদা রানবন্যার আশঙ্কায় কিছুটা জল ঢেলে দেন। তিনি, ‘ভারত মানেই ছোট মাঠ, বল স্কিড করে আসে, তার ওপর শিশির পড়লে পরিস্থি

কোনো ফেবারিট নেই, শিরোপা উন্মুক্ত: রাবাদা

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ক্রিকেট বোদ্ধাদের মতে, সহ-আয়োজক ভারতই শিরোপার প্রধান দাবিদার। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংস্করণে দলটির ফর্মও বলছ সেই কথা। রানের বন্যা বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কথাও বলা হচ্ছে এবারের আসরে। তবে কাগিসো রাবাদা বরাবরের মতোই সেই প্রচলিত ধারণার বাইরে হাঁটলেন।

রাবাদার মতে, ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে ভারতের টানা নয়টি সিরিজ জয় যতটা একতরফা ছবি আঁকে, বাস্তবতা ততটা সহজ নয়। শুধু তাই নয়, তিনি মনে করেন না যে এই বিশ্বকাপে বোলাররা পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়বেন।

আহমেদাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে রাবাদা বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে কাউকেই ফেবারিট বলা যায় না। শিরোপা যে কারও হতে পারে। আমরাও অবশ্যই সেই চেষ্টা চালাবো। ভারতের ক্যাম্পে ঠিক কী চলছে, সেটা আমি জানি না। তবে এই টুর্নামেন্ট পুরোপুরি উন্মুক্ত।’

গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রথম তিনটি ম্যাচই খেলবে আহমেদাবাদে। রানবন্যা নিয়ে অনেক আলাপ হলেও সেখানকার উইকেট প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে রাবাদা রানবন্যার আশঙ্কায় কিছুটা জল ঢেলে দেন। তিনি, ‘ভারত মানেই ছোট মাঠ, বল স্কিড করে আসে, তার ওপর শিশির পড়লে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়। কিন্তু আইসিসি ইভেন্টে আমার অভিজ্ঞতা বলছে, সব ম্যাচই যে হাই-স্কোরিং হবে, তা নয়। কিছু ভেন্যুতে বড় রান হবে ঠিকই, কিন্তু সব পিচ এমন হবে বলে আমি মনে করি না। আইসিসি টুর্নামেন্টে মাঝেমধ্যেই বোলারদের জন্য কিছু না কিছু থাকে।’

ভারতের মাটিতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন রাবাদা। সেই আসরে একাধিকবার ৪০০ রানের বেশি দলীয় সংগ্রহের ম্যাচ হয়েছিল। ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড এই রান করেছিল। ভালো বাউন্স ও মুভমেন্ট থাকলেও বোলাররা ভুগেছিলেন।

সেই বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা বলছে এবারও রানের ধারা অব্যাহত থাকবে। দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের বেশিরভাগ ম্যাচ খেলবে আহমেদাবাদে। এই মাঠে হওয়া ৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের প্রথম ইনিংসের গড় ১৮৯। শেষ চার ম্যাচে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩০। বিশ্বকাপে ব্যবহৃত ভেন্যুগুলোর মধ্যে ২০২৪ সালের পর থেকে এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান হওয়া মাঠ।

দক্ষিণ আফ্রিকার বাকি ম্যাচগুলোও হবে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। সব মিলিয়ে বড় রান না হওয়ার কথা ভাবাই কঠিন তবু রাবাদার কাছে আছে ভিন্ন। তিনি মনে করিয়ে দেন, আহমেদাবাদে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট উইকেটের ৭৫ শতাংশই নিয়েছেন পেস বোলাররা। সেই কারণেই দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের দলে পেস আক্রমণে জোর দিয়েছে। রাবাদাসহ দলে রয়েছেন ছয়জন পেসার—অলরাউন্ডার মার্কো জানসেন ও করবিন বশ, এবং বিশেষজ্ঞ পেসার লুঙ্গি এনগিডি, কোয়েনা মাফাকা ও অ্যানরিখ নর্কিয়া।

রাবাদার বিশ্বাস, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আরও কয়েকটি দল এই পরিস্থিতির সদ্ব্যবহার করতে পারবে, কারণ দলের বেশিরভাগ বোলারই ভারতের টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রাখে।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow