কোনোমতে ১২২ রান ঢাকার বোর্ডে

সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে যেভাবে ধসে পড়েছিল ঢাকার ব্যাটিং, একই অবস্থা হয়েছে চট্টগ্রামের বিপক্ষেও। রয়্যালসের বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর অলআউট হওয়ার আগে কোনোমতে ১২২ রান করতে পেরেছে রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেছেন সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট। দুটি উইকেট পেয়েছেন অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। একটি আমের জামাল আর একটি রানআউট। পাওয়া প্লেতে ২ উইকেট হারানোর পর ৮.৪ ওভারে পানি পানের বিরতির আগে ৪৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ক্যাপিটালস। একে একে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (১), জুবাইদ (২), উসমান (২১), শামীম (৪) ও মিঠুন (৮)। এই ৫ উইকেটের দুটি করে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেন আর একটি শেখ মাহেদি। দলীয় ৫৫ ও ৬৬ রানে সমান ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিম। মাহেদি ও তানভীর বিদায় করেন তাদের। হাল ধরার চেষ্টায় ৪৮ রানের জুটি গড়েন নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দলীয় ১১৪ রানে নাসিরকে ১৭ রানে আউট করে নিজের তৃতীয় উইকেট শিকার করেন শরিফুল। ৮ উইকেট হারায় ঢাকা। ১২১ রানে ৫ রান করা আমের জামালকে মোহাম্মদ নাইমের ক্যাচ বানিয়ে তাসকিনকে ফেরালে পতন হয় নবম উইকেটের। ব

কোনোমতে ১২২ রান ঢাকার বোর্ডে

সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে যেভাবে ধসে পড়েছিল ঢাকার ব্যাটিং, একই অবস্থা হয়েছে চট্টগ্রামের বিপক্ষেও। রয়্যালসের বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে ৬৬ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর অলআউট হওয়ার আগে কোনোমতে ১২২ রান করতে পেরেছে রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেছেন সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট। দুটি উইকেট পেয়েছেন অধিনায়ক শেখ মাহেদি হাসান। একটি আমের জামাল আর একটি রানআউট।

পাওয়া প্লেতে ২ উইকেট হারানোর পর ৮.৪ ওভারে পানি পানের বিরতির আগে ৪৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ক্যাপিটালস। একে একে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান (১), জুবাইদ (২), উসমান (২১), শামীম (৪) ও মিঠুন (৮)। এই ৫ উইকেটের দুটি করে শরিফুল ও তানভীর শিকার করেন আর একটি শেখ মাহেদি।

দলীয় ৫৫ ও ৬৬ রানে সমান ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাব্বির রহমান ও ইমাদ ওয়াসিম। মাহেদি ও তানভীর বিদায় করেন তাদের।

হাল ধরার চেষ্টায় ৪৮ রানের জুটি গড়েন নাসির হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দলীয় ১১৪ রানে নাসিরকে ১৭ রানে আউট করে নিজের তৃতীয় উইকেট শিকার করেন শরিফুল। ৮ উইকেট হারায় ঢাকা।

১২১ রানে ৫ রান করা আমের জামালকে মোহাম্মদ নাইমের ক্যাচ বানিয়ে তাসকিনকে ফেরালে পতন হয় নবম উইকেটের। বোর্ডে ১ রান যোগ হতেই ১২২ রানে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে শেষ উইকেট হিসেবে রানআউট হন রানের খাতা না খোলা সালমান মির্জা।

ঢাকার ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২৫ বলে ৪ চারে ইনিংসটি সাজান তিনি।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow