ক্যানসারে আক্রান্ত পুলিশ পরিদর্শক তৈমুর, বাঁচতে প্রয়োজন দেড় কোটি টাকা
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষ শাখার (সিটি-এসবি) পরিদর্শক জহির উদ্দিন মো. তৈমুর আলী। দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভোগার পর সম্প্রতি তার শরীরে মারাত্মক লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসার ধরা পড়েছে। বর্তমানে তিনি ভারতের দিল্লির ফোর্টিস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকা প্রয়োজন, যা তার পরিবারের পক্ষে বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তার স্ত্রী ফারাবি বিনতে সাদিক জাগো নিউজকে জানান, দিল্লির হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি মেডিকেল বোর্ড জহির উদ্দিনের সব রিপোর্ট পর্যালোচনা করে জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসা পরিকল্পনা জানিয়েছেন। তার লিভারের টিউমারটি অস্ত্রোপচারের (সার্জারি) উপযোগী করার জন্য প্রথমে এক সপ্তাহ রেডিওথেরাপি দিতে হবে। এরপর শুরু হবে কেমোথেরাপি। পাশাপাশি তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি সিস্টেম) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় অত্যন্ত ব্যয়বহুল তিনটি ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা, যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৭,০০০ মার্কিন ডলার। কয়েক সপ্তাহ ধরে এই নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও থেরাপি চলার পর টিউমারটি আকারে ছোট এবং সার্জারির উপযোগী হলে
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের বিশেষ শাখার (সিটি-এসবি) পরিদর্শক জহির উদ্দিন মো. তৈমুর আলী। দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভোগার পর সম্প্রতি তার শরীরে মারাত্মক লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যানসার ধরা পড়েছে।
বর্তমানে তিনি ভারতের দিল্লির ফোর্টিস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকা প্রয়োজন, যা তার পরিবারের পক্ষে বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
তার স্ত্রী ফারাবি বিনতে সাদিক জাগো নিউজকে জানান, দিল্লির হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি মেডিকেল বোর্ড জহির উদ্দিনের সব রিপোর্ট পর্যালোচনা করে জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসা পরিকল্পনা জানিয়েছেন। তার লিভারের টিউমারটি অস্ত্রোপচারের (সার্জারি) উপযোগী করার জন্য প্রথমে এক সপ্তাহ রেডিওথেরাপি দিতে হবে। এরপর শুরু হবে কেমোথেরাপি।
পাশাপাশি তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি সিস্টেম) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় অত্যন্ত ব্যয়বহুল তিনটি ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা, যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৭,০০০ মার্কিন ডলার। কয়েক সপ্তাহ ধরে এই নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও থেরাপি চলার পর টিউমারটি আকারে ছোট এবং সার্জারির উপযোগী হলে অস্ত্রোপচার করা হবে। এরপর আবারও কেমোথেরাপির প্রয়োজন হবে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আল্লাহর রহমতে এই পুরো প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত ধাপে তার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট (যকৃৎ প্রতিস্থাপন) করা হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, থেরাপি, ইনজেকশন, সার্জারি এবং লিভার ট্রান্সপ্লান্টসহ পুরো চিকিৎসার জন্য আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা খরচ হবে। মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের পক্ষে এই বিপুল অঙ্কের টাকা জোগাড় করা একেবারেই অসাধ্য।
দিল্লিতে চিকিৎসাধীন জহির উদ্দিনের স্ত্রী ফারাবি বিনতে সাদিক অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে জানান, মানুষ লিভারের নানা জটিলতায় ভুগে কীভাবে নিঃশব্দে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন, তা কখনো মূলধারার সংবাদে আসে না। আজ আমরা সেই অসহায়ত্বের মুখোমুখি। আমাদের চেনা-জানার মধ্যে কোনো এনজিও, সমাজসেবামূলক সংস্থা বা দানশীল ব্যক্তি যদি এই মুহূর্তে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তবে একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে।
বর্তমানে তৈমুরের চিকিৎসার খরচ চালাতে তার পরিবার ও সহকর্মীরা সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী এবং মানবিক সংস্থাগুলোর প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট:
হিসাব নাম: মো. মাহাবুবুর রহমান (ভাই)
হিসাব নম্বর: ১৫৩১১০৩৬২৯৮১৮০০১
ব্যাংক: ব্র্যাক ব্যাংক (BRAC Bank), পান্থপথ শাখা, ঢাকা।
রাউটিং নম্বর: ০৬০২৬৩৬২৯
সুইফট কোড: BRAKBDDH
মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর:
বিকাশ: ০১৭৪০-৯৪০৯০২
নগদ: ০১৯২৪৮৫৯২৬৫
রকেট: ০১৯২৪-৮৫৯২৬৫
একটি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত একজন সৎ পুলিশ কর্মকর্তার জীবন বাঁচাতে আপনার সামান্য অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আসুন, আমরা যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী জহির উদ্দিনের পাশে দাঁড়াই।
এসইউজে/এমআরএম
What's Your Reaction?