ক্রসফায়ারে স্বামী নিহতের পর মাদক রাজ্যের রানী হন স্ত্রী

বরিশাল নগরীর কেডিসি কলোনির একসময়ের চিহ্নিত মাদক কারবারি ছিলেন আব্দুল মালেক ওরফে গাঁজা মালেক। ইতোপূর্বে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয়ে নগরীসহ গোটা বরিশাল অঞ্চলে মাদকের হোলসেলার ছিলেন। পরবর্তীতে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন মাদক সম্রাট গাঁজা মালেক। তার মৃত্যুর পর স্বামীর মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করেন স্ত্রী নিলুফা বেগম নিলু। পরবর্তীতে তিনি সাইদুল ইসলামকে বিয়ে করেন। এরপর দুজনে মিলেই নগরীসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে গাঁজার হোলসেল করতেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র। এদিকে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখা। উদ্ধার হওয়া গাঁজার মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে নগরীর কেডিসি বালুর মাঠ এলাকায় শিল্পকলা একাডেমির পেছনে এ অভিযান পরিচালিত হয়। তবে অভিযান টের পেয়ে আগেভাগেই আত্মগোপনে চলে যায় মাদকের ডিলার সাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী নিলুফা বেগম নিলু। বুধবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল মান্নান। তিনি জানান, গোপন সং

ক্রসফায়ারে স্বামী নিহতের পর মাদক রাজ্যের রানী হন স্ত্রী

বরিশাল নগরীর কেডিসি কলোনির একসময়ের চিহ্নিত মাদক কারবারি ছিলেন আব্দুল মালেক ওরফে গাঁজা মালেক। ইতোপূর্বে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয়ে নগরীসহ গোটা বরিশাল অঞ্চলে মাদকের হোলসেলার ছিলেন।

পরবর্তীতে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন মাদক সম্রাট গাঁজা মালেক। তার মৃত্যুর পর স্বামীর মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করেন স্ত্রী নিলুফা বেগম নিলু। পরবর্তীতে তিনি সাইদুল ইসলামকে বিয়ে করেন। এরপর দুজনে মিলেই নগরীসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে গাঁজার হোলসেল করতেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

এদিকে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখা। উদ্ধার হওয়া গাঁজার মূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে নগরীর কেডিসি বালুর মাঠ এলাকায় শিল্পকলা একাডেমির পেছনে এ অভিযান পরিচালিত হয়। তবে অভিযান টের পেয়ে আগেভাগেই আত্মগোপনে চলে যায় মাদকের ডিলার সাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী নিলুফা বেগম নিলু।

বুধবার (১০ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল মান্নান।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মো. ছগির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে দুইতলা টিনশেড ঘরে তল্লাশি করে পাটের বাস্তা এবং ব্যাগের মধ্য থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার মূল্য ৩৯ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাইদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী নিলুফা বেগম নিলুসহ তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

তাছাড়া মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাইদুল ও তার স্ত্রী নিলুফাকে নামধারী এবং অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, নিলুফা এবং সাইদুল দীর্ঘ দিন ধরেই মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে নিলুফার বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় ৯টি এবং সাইদুলের বিরুদ্ধে একই থানায় ১২টি মাদক মামলার তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে। অন্য থানায় আরও মামলা আছে কিনা সেগুলো খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow