ক্রাচে ভর করে ক্যাম্পাসে জকসু-শিবিরের আহত নেতারা
গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষে আহত জকসু ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা চিকিৎসা শেষে ক্রাচে ভর করে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন। রোববার (৯ আগস্ট) ক্যাম্পাসে এসে তারা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তারা। আহত অবস্থায়ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে ক্লাসে ক্লাসে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নেতারা জানান, ৪ আগস্টের ঘটনার পর অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের সেই ভয় কাটানো এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা। আরও পড়ুন জবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় আহত প্রায় ৭০, তদন্ত কমিটি গঠন নেতৃবৃন্দ বলেন, এই ক্যাম্পাসে কেউ ভয়ের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। জকসু শিক্ষার্থীদের পাশে থেকেছে। সবসময় থাকবে। জকসুর এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সম্পূর্ণ সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাসের দাবি অনেক আগে থেকেই জানিয়ে আসছি। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার পর তাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি কাজ করছে
গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষে আহত জকসু ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা চিকিৎসা শেষে ক্রাচে ভর করে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) ক্যাম্পাসে এসে তারা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তারা।
আহত অবস্থায়ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে ক্লাসে ক্লাসে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নেতারা জানান, ৪ আগস্টের ঘটনার পর অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের সেই ভয় কাটানো এবং ক্যাম্পাসে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, এই ক্যাম্পাসে কেউ ভয়ের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। জকসু শিক্ষার্থীদের পাশে থেকেছে। সবসময় থাকবে।
জকসুর এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সম্পূর্ণ সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাসের দাবি অনেক আগে থেকেই জানিয়ে আসছি। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার পর তাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি কাজ করছে বলে আমরা মনে করছি। এ কারণে আমরা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং আমাদের দাবিগুলোর পক্ষে তাদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছি।’
জকসু জিএস ও শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফও হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে ফেরেন। তবে তার চিকিৎসা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। সেলাই কাটাসহ আরও কিছু চিকিৎসা বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।
আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘বর্তমানে আমি সুস্থ বোধ করছি এবং ক্যাম্পাসে আসতে পারছি, এটিই আমার জন্য সবচেয়ে বড় পাওয়া। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এসেছি। তবে চিকিৎসা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। সেলাই কাটাসহ আরও কিছু চিকিৎসা বাকি রয়েছে।’
ক্যাম্পাসে ফেরার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসার মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচিত প্রতিনিধি ও ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করা, তাদের অভয় দেওয়া এবং সৌজন্য সাক্ষাৎ করা। একই সঙ্গে আমরা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমাদের অন্যতম কর্মসূচি ছিল উপাচার্যের কাছে সরাসরি প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি জানানো।’
ক্যাম্পাসের পরিবেশ সম্পর্কে আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর পরিবেশ মোটামুটি স্বাভাবিক দেখেছি। তবে কিছু অছাত্রকে ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। ক্যাম্পাসের পরিবেশ যাতে কোনোভাবেই উত্তপ্ত বা অস্থিতিশীল না হয়, সে কারণে আমাদের পক্ষ থেকে মিছিল, মিটিং, শোডাউনসহ সব ধরনের কর্মসূচি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছি।’
টিএইচকিউ/এমএমকে
What's Your Reaction?

