‘ক্রিকেটের জন্য টাকা আছে, ফিল্মের জন্য নেই’, শুরু হচ্ছে উৎসব

শনিবার থেকে বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে চতুর্বিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-২০২৬। এ বছর ঢাকার বাইরে উৎসবের দ্বিতীয় ভেন্যু হতে যাচ্ছে কক্সবাজার। আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে এ উৎসব চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। সংবাদ সম্মেলনে এ বছরও আক্ষেপ করলেন আয়োজকেরা। আজ (৮ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা ক্লাবের স্যামসাং লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। বরাবরের মতো এবারের উৎসবে এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশন, রেট্রোস্পেকটিভ, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, বাংলাদেশ প্যানোরামা, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলন্ড্রেন ফিল্ম সেশন, ওমেন ফিল্মমেকার বিভাগ, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম, স্পিরিচুয়াল ফিল্ম, ওপেন টি বায়োস্কোপ বিভাগে দেখানো হবে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের ২৪৫টি সিনেমা। সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল। তিনি উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। আক্ষেপ করে আজও তিনি বললেন, ক্রিকেটের জন্য টাকা আছে, ব্যান্ড মিউজিকের জন্য টাকা আছে, শুধু ফিল্মের জন্য দেওয়ার মতো টাকা নেই কারও কাছে।’ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছ

‘ক্রিকেটের জন্য টাকা আছে, ফিল্মের জন্য নেই’, শুরু হচ্ছে উৎসব

শনিবার থেকে বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে চতুর্বিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-২০২৬। এ বছর ঢাকার বাইরে উৎসবের দ্বিতীয় ভেন্যু হতে যাচ্ছে কক্সবাজার। আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে এ উৎসব চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। সংবাদ সম্মেলনে এ বছরও আক্ষেপ করলেন আয়োজকেরা।

আজ (৮ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা ক্লাবের স্যামসাং লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। বরাবরের মতো এবারের উৎসবে এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশন, রেট্রোস্পেকটিভ, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, বাংলাদেশ প্যানোরামা, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলন্ড্রেন ফিল্ম সেশন, ওমেন ফিল্মমেকার বিভাগ, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম, স্পিরিচুয়াল ফিল্ম, ওপেন টি বায়োস্কোপ বিভাগে দেখানো হবে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের ২৪৫টি সিনেমা।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল। তিনি উৎসবের বিস্তারিত তুলে ধরে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। আক্ষেপ করে আজও তিনি বললেন, ক্রিকেটের জন্য টাকা আছে, ব্যান্ড মিউজিকের জন্য টাকা আছে, শুধু ফিল্মের জন্য দেওয়ার মতো টাকা নেই কারও কাছে।’

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নুজহাত ইয়াসমিন, ঢাকা ক্লাবের পরিচালক মো. এহসানুল হক দিপু, এনিগমা মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ফাহমিদুল ইসলাম শান্তনু, ফিলিপাইনের চলচ্চিত্রকার এডিথ জেড ক্যাডুয়ায়া, চলচ্চিত্র সমালোচক সাদিয়া খালিদ ঋতি, বিধান রিবেরু, চারুশিল্পী লুতফা মাহমুদা।

নুজহাত ইয়াসমিন বলেন, ট্যুরিজম বোর্ড কেবল আর্কিওলজিক্যাল সাইট নয়, সবকিছুই ট্যুরিজম বোর্ডের অংশ। এই ফিল্ম ফেস্টিভালের বিশাল জার্নিতে ট্যুরিজম বোর্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার মধ্যদিয়ে বড় একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা ট্যুরিজম বোর্ডের পক্ষ থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ছবিগুলো লাবনী বিচ পয়েন্টে প্রদর্শনী করব ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

এহসানুল হক দিপু বলেন, ১৯৯২ সাল থেকে ঢাকা ক্লাব ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সঙ্গে যুক্ত ছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের দেশকে তুলে ধরার এই উৎসবে এবারও আমরা রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত থাকবো।

ফাহমিদুল ইসলাম শান্তনু বলেন, বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং আরো ব্যাপক হোক। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব একটা গ্র্যান্ড ফিল্মফেস্ট হয়ে উঠুক।

আহমেদ মুজতবা জামাল বলেন, ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব বাংলাদেশের সর্বাধিক মর্যাদাসম্পন্ন ও উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র উৎসব, যা দেশে রুচিসম্পন্ন ও ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ব্যাপক অবদান রাখছে বলে আমরা মনে করি। রেইনবোর এই উৎসব তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল চলচ্চিত্র নির্মাতাদের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ধারার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতে যেমন সফল হয়েছে, তেমনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংস্কৃতিকে বলিষ্ঠ করেছে। এই আন্তর্জাতিক উৎসবের মূল লক্ষ্য বিশ্বের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নতুন নতুন চলচ্চিত্র সিনেমাপ্রেমীদের উপহার দেওয়া।

‘ক্রিকেটের জন্য টাকা আছে, ফিল্মের জন্য নেই’, শুরু হচ্ছে উৎসব

উদ্বোধনী সিনেমা
আসছে শনিবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে এদিন দেখানো হবে চীনা পরিচালক চেন শিয়াং পরিচালিত ছবি ‘উ জিন ঝি লু’ (দ্য জার্নি টু নো এন্ড)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় থাকবে ‘থিয়েটিক্যাল কোম্পানি ও জলতরঙ্গ’।

যেসব মিলনায়তনে দেখা যাবে উৎসবের সিনেমা
শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন (তৃতীয় তলা) ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন (নিচ তলা), সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তন ও চিত্রশালা, অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তন ও স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের মিলনায়তন। সব প্রদর্শনী ফ্রি। আসন সংখ্যা সীমিত বলে আগে আগে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

চলচ্চিত্রে নারীর ভূমিকা বিষয়ক সম্মেলন 
১১ ও ১২ জানুয়ারি উৎসবের অংশ হিসেবে চলচ্চিত্রে নারীর ভূমিকা বিষয়ক ‘টুয়েলফথ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন উইমেন ইন সিনেমা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা ক্লাবের স্যামসাং লাউঞ্জের তৃতীয় তলায়। এই কনফারেন্সে দেশি বিদেশি নারী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের নারী নির্মাতারা। এখানে নারী নির্মাতারা তাদের কাজ করার প্রতিবন্ধকতা এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে বিশ্বের খ্যাতিমান নারী নির্মাতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিশ্ব পরিবর্তনে নারীর নেতিবাচক ও ইতিবাচক ভূমিকা এবং প্রতিবন্ধকতা থেকে সমাধানের উপায়সমূহ উঠে আসবে এই কনফারেন্সে। জানুয়ারির ১১ তারিখ সকালে এটি উদ্বোধন করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ। অধ্যাপক কিশোয়ার কামালের সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এটি শুরু হবে।

লাখ টাকার ‘স্ক্রিনপ্লে ল্যাব’ 
উৎসবে এবারও ১১-১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ওয়েস্ট মিটস ইস্ট স্ক্রিনপ্লে ল্যাব। এ বছর থেকে এই ল্যাব শুধু দক্ষিণ এশিয়ার নয়, সমগ্র এশিয়া মহাদেশের নির্মাতাদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এটি উদীয়মান এশিয়ান নির্মাতাদের জন্য একটি বড় সুযোগ, যেখানে তারা আন্তর্জাতিক ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত হতে এবং বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে নিজেদের কাজ তুলে ধরতে পারবেন। জমা পড়া প্রস্তাবগুলো থেকে শীর্ষ ১০টি প্রকল্প নির্বাচন করা হয়েছে, যেগুলো চার দিনের মেন্টরশিপ ওয়ার্কশপে অংশ নেবে। প্রথম তিন দিন অংশগ্রহণকারীরা ব্যক্তিগতভাবে একজন করে মেন্টরের সঙ্গে কাজ করবেন, চতুর্থ দিনে তারা নিজেদের প্রকল্প ফিল্মহাট মার্কেটপ্লেসে নির্মাতা, প্রযোজক, পরিবেশক ও ওটিটি প্রতিনিধিদের সামনে পিচ করবেন। স্ক্রিনপ্লে ল্যাব অনুষ্ঠিত হবে ধানমন্ডির ভিনটেজ কনভেনশন হলে। এই ল্যাবে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য পাবে নগদ ৫ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারকারী চিত্রনাট্য পাবে ৩ লাখ টাকা এবং তৃতীয় স্থান জয়ী চিত্রনাট্য পাবে ২ লাখ টাকা।

মাস্টারক্লাস এবার ফ্রি
চতুর্থবারের মতো এবারও থাকছে ডিআইএফএফ-এর জনপ্রিয় বিভাগ মাস্টারক্লাস। এর আগে মাজিদ মাজিদি, অঞ্জন দত্ত, ড. শি চুয়ান এবং রাশেদ জামানের মতো খ্যাতিমান ব্যক্তিরা এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। ২০২৬ সালের মাস্টারক্লাস অনুষ্ঠিত হবে ১৭ জানুয়ারি। এবার এ জন্য কোনো ফি নেওয়া হচ্ছে না। দিনব্যাপী এই আয়োজনে বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কথা বলবেন সুইস ফিল্ম ম্যাগাজিন সিনেবুলেটিনের এডিটর ইন চিফ টেরেসা ভিনা, ক্রোয়েশিয়ার চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বক্তা আলেকজান্দ্রা মারকোভিচ এবং বাংলাদেশের নির্মাতা ও প্রোডাকশন ডিজাইনার লিটন কর।

শিল্পকর্ম প্রদর্শনী
এবারও থাকছে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী বা আর্ট এক্সিবিশন, শুরু হবে ৯ জানুয়ারি, শেষ হবে ১৭ জানুয়ারি। এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ মিলিটারি মিউজিয়ামের থ্রিডি আর্ট গ্যালারিতে। এই বিশেষ আয়োজনে বাংলাদেশের ১০ জন স্বীকৃত ও খ্যাতিমান শিল্পীর নির্বাচিত শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হবে। চলচ্চিত্র ও চারুকলার সমন্বয়ে এই প্রদর্শনী শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল অভিব্যক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপিত হবে। এক্সিবিশন কিউরেট করেছেন শিল্পী লুতফা মাহমুদা।

সমাপনী আয়োজন 
১৮ জানুয়ারি পর্দা নামবে চতুর্বিংশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের। সমাপনী দিনে বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও উৎসব কমিটির নির্বাহী সদস্য জালাল আহমেদ। এ সন্ধ্যায় দেখানো হবে উৎসবে সেরার পুরস্কার জিতে নেওয়া সিনেমা। সমাপনী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন আহমেদ হাসান সানি।

উৎসবে জুরি যারা
এ বছর এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশন সেকশনে বিচারক প্যানেলের প্রেসিডেন্ট নরওয়ের চলচ্চিত্র প্রযোজক ইনগ্রিড লিল হগটান এবং জুরি মেম্বার বাংলাদেশের অভিনেত্রী সৈয়দা তুহিন আরা করিম (অপি করিম), ইতালির ফিল্ম প্রোডিউসার ও ডিসট্রিবিউটর লিডা গেনচি, জাপানের অভিনেতা ও স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মতা মাসাহিরো ওটা ও তুরস্কের চলচ্চিত্র পরিচালক রেইস জেলিক।

স্পিরিচুয়াল ফিল্ম সেকশনে ইন্টারফেইথ জুরি প্রেসিডেন্ট সুইজারল্যান্ডের ফিল্ম কিউরেটর তেরেসা ভেনা, জুরি মেম্বার বাংলাদেশের চলচ্চিত্র প্রযোজক তানভীর হোসেইন, জার্মানির চলচ্চিত্র পরিচালক ডারিয়া শ্লিফস্টেইন ও ইরানের ফিল্ম প্রোডিউসার এহসান কাভেহ। 

উইমেন ফিল্মমেকার সেকশনে জুরি প্রেসিডেন্ট ক্রোয়েশিয়ার প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা আলেকজান্দ্রা মারকোভিচ, জুরি মেম্বার অস্ট্রেলিয়ার ফিল্মমেকার ও ভিজুয়াল আর্টিস্ট রোনাক টাহির, বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পী আফসানা মিমি, ফিলিপাইনের অভিনেত্রী জেরালডিনা মারিয়া ভিলামিল।

বাংলাদেশ প্যানোরামা ফিল্ম সেকশনে ফিপ্রেসি বাংলাদেশ চাপ্টার ইফক্যাবের পক্ষ থেকে জুরি থাকছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সাংবাদিক ও চিত্রনাট্যকার মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান, সাংবাদিক ও চিত্রনাট্যকার সাদিয়া খালিদ রীতি এবং চলচ্চিত্র আন্দোলনকর্মী এ এম মামুনুর রশীদ। 

ওয়াইড অ্যাঙ্গেল সেকশনের স্পেশাল জুরি ইউক্রেনের ফিল্মমেকার ও আর্টিস্ট পলিনা পিডুবনা এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সমালোচক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক বিধান রিবেরু।

ওয়েস্ট মিটস ইস্ট স্ক্রিন প্লে ল্যাবের জুরি বাংলাদেশের ফিল্মমেকার ও প্রোডিউসার আদনান আল রাজিব, সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামান, নরওয়ের প্রোডিউসার এবং ডিস্ট্রিবিউটর অগি হোফার্ট, প্রোডিউসার ইনগ্রিড লিল হগটান, জর্জিয়ার ফিল্মমেকার লেখক ও প্রোডিউসার জর্জ ওভশভ্যালি, রাশিয়ান ফিল্ম প্রোডিউসার আন্না শালাশিনা, বুলগেরিয়ার ফিল্মমেকার ও স্ক্রিনপ্লে রাইটার ইয়ানা লেকারস্কা।

ওয়েস্ট মিটস ইস্ট স্ক্রিন প্লে ল্যাবের মেন্টর বাংলাদেশের ফিল্মমেকার ও এডিটর সামির আহমেদ, ফিল্ম প্রোডিউসার তানভীর হোসেন, নরওয়ের ফিল্ম প্রোডিউসার গিদা ভ‌ে‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌লভিন মাইকেলবাস্ট, এস্তোনিয়ার ব্ল্যাকনাইট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ডিরেক্টর ফিল্মমেকার টিনা লক, ইন্ডিয়ার ফিল্ম কিউরেটর, ক্রিটিক ও সাংবাদিক মিনাক্ষী শেড্ডে।

‘ক্রিকেটের জন্য টাকা আছে, ফিল্মের জন্য নেই’, শুরু হচ্ছে উৎসব

দর্শক, পরিবেশক, পরিচালক, প্রযোজক মিলনমেলা 
উৎসব চলাকালে জাতীয় জাদুঘর ও শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে বসবে দর্শক, পরিবেশক, পরিচালক, প্রযোজক মিলনমেলা। সেখানে চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা সমবেত হবেন। এই পক্ষগুলোর নিজেদের ভাবনা বিনিময় ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তথ্য আদান প্রদানের সুযোগ করে দিতে এ আয়োজন।

রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ ১৯৭৭ সাল থেকে বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনে সংশ্লিষ্ট থেকে সৎ চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও সংস্কৃতি বিকাশে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৯৯২ সাল থেকে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ আয়োজন, চলচ্চিত্র বিষয়ক ত্রৈমাসিক পত্রিকা “সেলুলয়েড” প্রকাশনার পাশাপাশি নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, সেমিনার ও শুদ্ধ সঙ্গীতের আসর আয়োজন করে আসছে।

আয়োজন সহযোগী 
এ উৎসব আয়োজনে সহযোগিতা করছে সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস, অ্যাকশন এইড ও এসএমসি। উৎসব পার্টনার হিসেবে আছে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, আঁলিয়স ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা, ঢাকা ক্লাব লিমিডেট, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, থ্রিডি আর্ট গ্যালারি, ভিনটেজ কনভেনশন হল, নরওয়েজিয়ান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হগুসন্ড, রিলিজিওন টুডে ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, চ্যানেল আই, ওটিটি প্লাটফর্ম দোয়েল, সেন্স ফর ওয়েভ ও ক্লাউডলাইভ।

চলচ্চিত্রের মান ও আয়োজনের নিরিখে চতুর্বিংশ ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসব আগের তুলনায় আরও বর্ণাঢ্য হবে বলে আশা করছে আয়োজক সংস্থা রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ।

আরএমডি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow