ক্রিপ্টোকারেন্সির নিয়ম নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রে বিল পাসের প্রস্তাব

বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের জন্য স্পষ্ট নিয়ম নির্ধারণে একটি বিল পাস করতে কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। কয়েক মাস ধরে আলোচনার পরও আইনটি এখনও সিনেটে আটকে রয়েছে বলে জানান বেসেন্ট। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে-এ লেখা এক মতামত নিবন্ধে তিনি বলেন, এই বিল পাস না হলে যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক আর্থিক নেতৃত্ব হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে এবং ক্রিপ্টো শিল্প বহির্বিশ্বের হাতে চলে যেতে পারে। ‘ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত এই বিলটি গত বছরের জুলাইয়ে প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়। এতে নির্ধারণ করা হয়েছে, কোন ডিজিটাল সম্পদকে সিকিউরিটি এবং কোনটিকে পণ্য হিসেবে ধরা হবে এবং এই নীতি অনুযায়ী কোন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এর তত্ত্বাবধান করবে। তবে সিনেট এখনও এই বিলটি নিয়ে এগোয়নি এবং নিজস্ব একটি আইন প্রণয়নের চেষ্টা করছে। বেসেন্ট বলেন, ডেভেলপার ও উদ্যোক্তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে একটি স্থায়ী আইনি কাঠামো দরকার। ‘জিনিয়াস অ্যাক্ট’ এরই মধ্যে অগ্রগতির উদাহরণ তৈরি করেছে এবং ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট তার পরবর্তী ধাপ। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর জিনিয়াস অ্যাক্ট-এ স্বাক্ষর করেন

ক্রিপ্টোকারেন্সির নিয়ম নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রে বিল পাসের প্রস্তাব

বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের জন্য স্পষ্ট নিয়ম নির্ধারণে একটি বিল পাস করতে কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। কয়েক মাস ধরে আলোচনার পরও আইনটি এখনও সিনেটে আটকে রয়েছে বলে জানান বেসেন্ট।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে-এ লেখা এক মতামত নিবন্ধে তিনি বলেন, এই বিল পাস না হলে যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক আর্থিক নেতৃত্ব হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে এবং ক্রিপ্টো শিল্প বহির্বিশ্বের হাতে চলে যেতে পারে।

‘ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত এই বিলটি গত বছরের জুলাইয়ে প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়। এতে নির্ধারণ করা হয়েছে, কোন ডিজিটাল সম্পদকে সিকিউরিটি এবং কোনটিকে পণ্য হিসেবে ধরা হবে এবং এই নীতি অনুযায়ী কোন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এর তত্ত্বাবধান করবে। তবে সিনেট এখনও এই বিলটি নিয়ে এগোয়নি এবং নিজস্ব একটি আইন প্রণয়নের চেষ্টা করছে।

বেসেন্ট বলেন, ডেভেলপার ও উদ্যোক্তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে একটি স্থায়ী আইনি কাঠামো দরকার। ‘জিনিয়াস অ্যাক্ট’ এরই মধ্যে অগ্রগতির উদাহরণ তৈরি করেছে এবং ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট তার পরবর্তী ধাপ।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর জিনিয়াস অ্যাক্ট-এ স্বাক্ষর করেন, যা স্টেবলকয়েন নামে পরিচিত। অর্থাৎ মার্কিন ডলারের মতো স্থিতিশীল সম্পদের সঙ্গে যুক্ত ডিজিটাল টোকেন। এই ডিজিটাল টোকেন নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি কাঠামো তৈরি করে এই জিনিয়াস অ্যাক্ট।

বেসেন্ট আরও বলেন ,যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মুহূর্তে জোর করে বিশ্বের আর্থিক ব্যবস্থার কেন্দ্র হয়ে ওঠেনি বরং মানদণ্ড নির্ধারণ করে নেতৃত্ব দিয়েছে।

এই আইনটি, যা সাধারণভাবে ‘মার্কেট স্ট্রাকচার’ আইন নামে পরিচিত, স্টেবলকয়েন বিলের তুলনায় বেশি জটিল বলে মনে করা হয়। যদিও শুরুতে আশা করা হয়েছিল, এই কংগ্রেসের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এটি পাস হতে পারে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow