ক্লাব কোটায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন তামিমসহ ১২ জন!
নিরুত্তাপ নির্বাচন। প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস-ইঙ্গিত শুরু থেকেই খুব কম। শেষ পর্যন্তও হয়তো একদম নিরুত্তাপ নির্বাচনই হতে যাচ্ছে। তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে প্যানেল তৈরি এবং সেই প্যানেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও ভেতরে ভেতরে ১২ জন ঠিক হয়ে গেছে। অর্থাৎ ক্যাটাগরি-২, মানে ঢাকার ক্লাব কোটায় ৭৬ ভোটারের ভোটে কোন ১২ জন পরিচালক হবেন, তা একরকম ঠিক হয়ে গেছে। ধরেই নেওয়া যায় যে, তাদের বিপক্ষে আর কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। তাই ওই ১২ জন হয়তো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই বিসিবি পরিচালক হতে যাচ্ছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই জানতে ইচ্ছে করছে কারা তারা? এর মধ্যে ৭/৮ জনের নাম কয়েকদিন আগে থেকেই নিশ্চিত হয়ে ছিল। জাগো নিউজের পাঠকরা ৩-৪ দিন আগেই তাদের নাম জেনে গিয়েছিলেন। সেই তালিকায় সবার ওপরেই ছিল তামিম ইকবালের নাম। জাতীয় দলের এ সাবেক অধিনায়ক ও দেশসেরা ওপেনার ওল্ডডিওএইচএস ক্লাবের কাউন্সিলর। তার সঙ্গে ফাহিম সিনহা (আবাহনীর কাউন্সিলর) ও রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র) আছেন। সঙ্গে সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স), ইসরাফিল খসরু চৌধুরী (এক্সিয়ম ক্রিকেটার্স), ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং) এ
নিরুত্তাপ নির্বাচন। প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস-ইঙ্গিত শুরু থেকেই খুব কম। শেষ পর্যন্তও হয়তো একদম নিরুত্তাপ নির্বাচনই হতে যাচ্ছে। তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে প্যানেল তৈরি এবং সেই প্যানেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও ভেতরে ভেতরে ১২ জন ঠিক হয়ে গেছে।
অর্থাৎ ক্যাটাগরি-২, মানে ঢাকার ক্লাব কোটায় ৭৬ ভোটারের ভোটে কোন ১২ জন পরিচালক হবেন, তা একরকম ঠিক হয়ে গেছে। ধরেই নেওয়া যায় যে, তাদের বিপক্ষে আর কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। তাই ওই ১২ জন হয়তো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই বিসিবি পরিচালক হতে যাচ্ছেন।
খুব স্বাভাবিকভাবেই জানতে ইচ্ছে করছে কারা তারা? এর মধ্যে ৭/৮ জনের নাম কয়েকদিন আগে থেকেই নিশ্চিত হয়ে ছিল। জাগো নিউজের পাঠকরা ৩-৪ দিন আগেই তাদের নাম জেনে গিয়েছিলেন।
সেই তালিকায় সবার ওপরেই ছিল তামিম ইকবালের নাম। জাতীয় দলের এ সাবেক অধিনায়ক ও দেশসেরা ওপেনার ওল্ডডিওএইচএস ক্লাবের কাউন্সিলর। তার সঙ্গে ফাহিম সিনহা (আবাহনীর কাউন্সিলর) ও রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র) আছেন। সঙ্গে সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স), ইসরাফিল খসরু চৌধুরী (এক্সিয়ম ক্রিকেটার্স), ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং) এবং শাহনিয়ান তানিমের (মেরিনার্স ক্লাব) নামও আগেই উচ্চারিত হয়েছে।
এ সাতজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মোহামেডানের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কাউন্সিলর অধ্যাপক ড. সরকার মাহবুব শামিম আহমেদ, ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল এবং শাইনপুকুরের আসিফ রাব্বানী ও সৈয়দ বোরহানুল হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি)।
যতদূর জানা গেছে, ওপরের এই ১২ জনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি পরিচালক হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
ভেতরের খবর, জেলা ও বিভাগ তথা ক্যাটাগরি-১ -এও নির্বাচনের সম্ভাবনা খুব কম। ৬৪ জেলা আর ৭ বিভাগের ৭১ ভোটারের মধ্যে থেকে ১০ পরিচালক সেখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।
এরমধ্যে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে বিসিবির সাবেক পরিচালক ফুয়াদ বিন রেদওয়ান, ঢাকা বিভাগ থেকে সাইদ বিন জামানের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত বলে জানা গেছে।
তবে ক্যাটাগরি-৩ -এ সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর আর দেবব্রত পালের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে বিসিবির সাবেক কর্তা সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীরের (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর) পাল্লা বেশ ভারী। এখন দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত তার বিপক্ষে কেউ নির্বাচন করেন কি না?
এআরবি/আইএইচএস
What's Your Reaction?