ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা আয়োজন করলো বাকৃবি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারা বিকাশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা”। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং সভাপতিত্ব করেছেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মাহমুদুল আলম। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান, উপাচার্য সচিবালয়ের উপপরিচালক হাবিব মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ও সংস্থাপন শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. জহিরুল আলম। অনুষ্ঠানে নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রদর্শন করেছেন। প্রদর্শনীর মধ্যে ছিলো - সহজ পানি সেচ পদ্ধতি, দূষণ মডেল, পানি বিশুদ্ধকরণ, আগ্নেয়গিরির মডেল, সৌরজগতের মডেল, ফায়ার অ

ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা আয়োজন করলো বাকৃবি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারা বিকাশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা”।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং সভাপতিত্ব করেছেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মাহমুদুল আলম। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান, উপাচার্য সচিবালয়ের উপপরিচালক হাবিব মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ও সংস্থাপন শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. জহিরুল আলম।

অনুষ্ঠানে নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রদর্শন করেছেন। প্রদর্শনীর মধ্যে ছিলো - সহজ পানি সেচ পদ্ধতি, দূষণ মডেল, পানি বিশুদ্ধকরণ, আগ্নেয়গিরির মডেল, সৌরজগতের মডেল, ফায়ার অ্যালার্ম, চন্দ্র ও সূর্যগ্রহণের মডেল এবং ক্লে দিয়ে বানানো বিভিন্ন ফুল ও পুতুলসহ আরো অনেক কিছু।

আয়োজকরা জানান, ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নতুন ভাবনা, সৃজনশীল কর্মদক্ষতা ও উদ্ভাবনী প্রতিভা তুলে ধরতেই এ ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প, মডেল ও সৃজনশীল কাজ উপস্থাপন করবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম এবং মেধার সাধুবাদ জানাই। বিশেষ করে এই বয়স থেকেই বিভিন্ন পেশার প্রতি তোমাদের আগ্রহ সত্যিই অসাধারণ।

তিনি আরও বলেন, এই মেধাবী প্রজন্ম তাদের মেধা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে পরিবার ও দেশকে সমৃদ্ধ করবে এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। একইসাথে সন্তানদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে নিরলস সহযোগিতা করায় অভিভাবকদের ধন্যবাদ জানাই। কারণ শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে। তাহলেই তারা সুসন্তান হিসেবে গড়ে উঠবে।

অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্ভাবনী মনোভাব সৃষ্টি এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে। আমি শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ধন্যবাদ জানাই।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ মেলা আয়োজন করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow