ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণে নিহত ১১, ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালে আগুন

ইউক্রেনে রাতভর চালানো রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার পরিবার এবং একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ, খারকিভসহ একাধিক শহর লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়, যা সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম ধ্বংসাত্মক আকাশ হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। হামলার সবচেয়ে বড় ক্ষতির মধ্যে রয়েছে ইউনেস্কো তালিকাভুক্ত কিয়েভ-পেচারস্ক লাভরা মঠ কমপ্লেক্সের ১১শ শতকের ডরমিশন ক্যাথেড্রাল। ভোরের দিকে ভবনটির ছাদে একটি রাশিয়ান ‘কামিকাজে’ ড্রোন সরাসরি আঘাত হানে বলে জানানো হয়েছে। এতে প্রায় ৮০০ বর্গমিটার এলাকা আগুনে পুড়ে যায়। কিয়েভের জরুরি সেবাদানকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এই মঠটি পূর্ব ইউরোপীয় অর্থোডক্স খ্রিস্টান ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যা দীর্ঘদিন ধরে তীর্থযাত্রীদের কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এই হামলাক

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণে নিহত ১১, ঐতিহাসিক ক্যাথেড্রালে আগুন

ইউক্রেনে রাতভর চালানো রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার পরিবার এবং একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ, খারকিভসহ একাধিক শহর লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়, যা সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে অন্যতম ধ্বংসাত্মক আকাশ হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

হামলার সবচেয়ে বড় ক্ষতির মধ্যে রয়েছে ইউনেস্কো তালিকাভুক্ত কিয়েভ-পেচারস্ক লাভরা মঠ কমপ্লেক্সের ১১শ শতকের ডরমিশন ক্যাথেড্রাল। ভোরের দিকে ভবনটির ছাদে একটি রাশিয়ান ‘কামিকাজে’ ড্রোন সরাসরি আঘাত হানে বলে জানানো হয়েছে। এতে প্রায় ৮০০ বর্গমিটার এলাকা আগুনে পুড়ে যায়।

কিয়েভের জরুরি সেবাদানকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এই মঠটি পূর্ব ইউরোপীয় অর্থোডক্স খ্রিস্টান ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যা দীর্ঘদিন ধরে তীর্থযাত্রীদের কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এই হামলাকে নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি দেখাচ্ছে রাশিয়া যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মনোভাবই প্রকাশ করছে। তিনি জি-৭ দেশগুলোর প্রতি আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া, রাশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধি এবং ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশেষ করে ব্যালিস্টিক প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

সরকারি সূত্র আরও জানায়, এই হামলায় ১১ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ৫৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে জরুরি সেবাকর্মীরাও রয়েছেন।

কিয়েভ-পেচারস্ক লাভরার পরিচালক মাকসিম ওস্তাপেঙ্কো জানান, হামলার ফলে ক্যাথেড্রালের ছাদে সরাসরি আঘাত লাগে এবং অগ্নিকাণ্ড দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এই ঐতিহাসিক কমপ্লেক্সের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ ব্যবস্থা শতাব্দীর পুরোনো এবং এটি ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ঐতিহ্য হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: আল-জাজিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow