কড়াই-খুন্তিরও আছে এক্সপায়ারি ডেট, বুঝবেন কীভাবে?

  সবকিছুরই এক্সপায়ারি ডেট থাকে। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া ওষুধ বা খাবার খেলে কী ধরনের বিপদ হতে পারে, তা আমরা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু রান্নাঘরে প্রতিদিন যে কড়াই, প্যান, খুন্তি বা প্রেশার কুকার ব্যবহার করছেন, সেগুলোরও যে নির্দিষ্ট ব্যবহারযোগ্য সময়সীমা আছে, তা অনেকেই খেয়াল করেন না। আগুনের তাপ, বারবার ঘষামাজা আর প্রতিদিনের ব্যবহারে বাসনপত্র ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু নতুন কেনা কড়াই বা প্যানের গায়ে তো আর এক্সপায়ারি তারিখ লেখা থাকে না। তাহলে বুঝবেন কীভাবে, কোন বাসনটি বদলানোর সময় হয়েছে? আসুন জেনে নেওয়া যাক, কোন লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন আপনার রান্নাঘরের বাসনপত্র বদলানোর সময় এসে গেছে- ১. ভাঙা কানা বা ঢিলা হ্যান্ডলপ্রতিদিনের ব্যবহার আর ধোয়া-মাজার ফলে কড়াই, প্যান বা প্রেশার কুকারের হাতল ঢিলা হয়ে যেতে পারে। কখনো বাসনের পাশ ভেঙেও যায়। এমন বাসন ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। তাই ভাঙা বা লুজ হ্যান্ডলযুক্ত বাসন দ্রুত বদলে ফেলাই নিরাপদ। ২. মরিচা ধরা বাসনলোহার বাসন আর্দ্রতার সংস্পর্শে এলে সহজেই মরিচা ধরে। অনেক দিন ব্যবহার না করলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত বাসনের উপর একটি সুরক্ষা স্তর থাকে, য

কড়াই-খুন্তিরও আছে এক্সপায়ারি ডেট, বুঝবেন কীভাবে?

 

সবকিছুরই এক্সপায়ারি ডেট থাকে। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া ওষুধ বা খাবার খেলে কী ধরনের বিপদ হতে পারে, তা আমরা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু রান্নাঘরে প্রতিদিন যে কড়াই, প্যান, খুন্তি বা প্রেশার কুকার ব্যবহার করছেন, সেগুলোরও যে নির্দিষ্ট ব্যবহারযোগ্য সময়সীমা আছে, তা অনেকেই খেয়াল করেন না।

আগুনের তাপ, বারবার ঘষামাজা আর প্রতিদিনের ব্যবহারে বাসনপত্র ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু নতুন কেনা কড়াই বা প্যানের গায়ে তো আর এক্সপায়ারি তারিখ লেখা থাকে না। তাহলে বুঝবেন কীভাবে, কোন বাসনটি বদলানোর সময় হয়েছে?

আসুন জেনে নেওয়া যাক, কোন লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন আপনার রান্নাঘরের বাসনপত্র বদলানোর সময় এসে গেছে-

১. ভাঙা কানা বা ঢিলা হ্যান্ডল
প্রতিদিনের ব্যবহার আর ধোয়া-মাজার ফলে কড়াই, প্যান বা প্রেশার কুকারের হাতল ঢিলা হয়ে যেতে পারে। কখনো বাসনের পাশ ভেঙেও যায়। এমন বাসন ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। তাই ভাঙা বা লুজ হ্যান্ডলযুক্ত বাসন দ্রুত বদলে ফেলাই নিরাপদ।

ert

২. মরিচা ধরা বাসন
লোহার বাসন আর্দ্রতার সংস্পর্শে এলে সহজেই মরিচা ধরে। অনেক দিন ব্যবহার না করলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত বাসনের উপর একটি সুরক্ষা স্তর থাকে, যা নষ্ট হয়ে গেলে মরিচা পড়ে। একবার মরিচা ধরলে সেই বাসন ব্যবহার না করাই ভালো।

৩. নন-স্টিক বাসনে আচড়ের দাগ
নন-স্টিক বাসনের উপর টেফলনের মতো একটি আবরণ থাকে। দীর্ঘদিন তাপের সংস্পর্শে থাকা বা অতিরিক্ত ঘষামাজার ফলে এই আবরণ উঠে যেতে পারে। যখন নন-স্টিক প্যানে আচড়ের দাগ বা স্তর খসে পড়তে দেখবেন, তখনই সেটি পরিবর্তন করে ফেলুন। কারণ ক্ষতিগ্রস্ত আবরণ স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

৪. তলদেশ অমসৃণ হয়ে যাওয়া
অ্যালুমিনিয়াম বা স্টিলের বাসন দীর্ঘদিন ব্যবহারে মসৃণতা হারায়। তলদেশ অমসৃণ হয়ে গেলে রান্না করতে সময় বেশি লাগে এবং খাবারের মানও প্রভাবিত হতে পারে। এ ধরনের বাসন বদলানোই ভালো সিদ্ধান্ত।

৫. সিরামিক বা কাচের বাসনে ফাটল
সিরামিক বা কাচের কাপ, বাটি বা গ্লাস দীর্ঘদিন ব্যবহারে সূক্ষ্ম চিড় ধরতে পারে। এই ফাটলের মধ্যে সহজেই ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। তাই ফাটল ধরা বাসন ব্যবহার না করাই নিরাপদ।

রান্নাঘরের বাসনপত্র শুধু সুবিধার জন্য নয়, স্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িত। তাই সময়মতো সেগুলো পরীক্ষা করে প্রয়োজন হলে বদলে ফেলা জরুরি।

সূত্র: গুড হাউজ কিপিং ও অন্যান্য

আরও পড়ুন:
পালংশাক কাঁচা খাওয়া ঠিক নয়, স্বাস্থ্যকরভাবে রান্না করার উপায় 
ঘর পরিষ্কার রাখতে বাদ দিন এই ৫ জিনিস 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow