কয়লা আমদানিতে বাড়তে পারে শুল্কছাড়ের মেয়াদ

২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেটে দেশের বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সহনীয় রাখতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কয়লা আমদানিতে শুল্কছাড়ের মেয়াদ ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।  বাজেট প্রস্তাবে দেশের বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের দাম সহনশীল রাখার লক্ষ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃক কয়লা আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করা হতে পারে। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এটি দেশের ৫৫তম এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট উপস্থাপন। নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি বিশেষ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানাবেন। আগামী ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন

কয়লা আমদানিতে বাড়তে পারে শুল্কছাড়ের মেয়াদ

২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেটে দেশের বিদ্যুৎ খাতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সহনীয় রাখতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কয়লা আমদানিতে শুল্কছাড়ের মেয়াদ ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

বাজেট প্রস্তাবে দেশের বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের দাম সহনশীল রাখার লক্ষ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃক কয়লা আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের মেয়াদ ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করার প্রস্তাব করা হতে পারে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এটি দেশের ৫৫তম এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট উপস্থাপন।

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি বিশেষ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানাবেন। আগামী ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এই অর্থবছর কার্যকর হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত মেগা বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে সামগ্রিক বাজেটে নিট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক—উভয় উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow