কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাণ্ডব চালাতে পারে ‘অতি বিপজ্জনক’ টাইফুন 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সুপার টাইফুন বাভি। রোববার থেকেই বাসিন্দারা জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছেন এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। খবর এএফপির। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এটি মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, সোমবার ভোরে টাইফুনটি ঘণ্টায় প্রায় ২৬০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানতে পারে। দমকা বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৩১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা ক্যাটাগরি-৫ হারিকেনের সমতুল্য। সংস্থাটি একে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে সতর্ক করেছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, টাইফুনের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, উপকূল প্লাবিত হওয়া এবং সর্বোচ্চ ৩৫ ফুট উঁচু ঢেউয়ের সৃষ্টি হতে পারে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝড়ের আগে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি সুরক্ষিত করার কাজে ব্যস্ত। অনেকেই জানালায় প্লাইউড লাগাচ্ছেন, আবার অনেকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র বা হোটেলে চলে যাচ্ছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাণ্ডব চালাতে পারে ‘অতি বিপজ্জনক’ টাইফুন 
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সুপার টাইফুন বাভি। রোববার থেকেই বাসিন্দারা জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছেন এবং শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। খবর এএফপির। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এটি মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে তাণ্ডব চালাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, সোমবার ভোরে টাইফুনটি ঘণ্টায় প্রায় ২৬০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানতে পারে। দমকা বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৩১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা ক্যাটাগরি-৫ হারিকেনের সমতুল্য। সংস্থাটি একে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে সতর্ক করেছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, টাইফুনের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, উপকূল প্লাবিত হওয়া এবং সর্বোচ্চ ৩৫ ফুট উঁচু ঢেউয়ের সৃষ্টি হতে পারে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝড়ের আগে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি সুরক্ষিত করার কাজে ব্যস্ত। অনেকেই জানালায় প্লাইউড লাগাচ্ছেন, আবার অনেকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র বা হোটেলে চলে যাচ্ছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। গুয়ামে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার এবং নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের বসবাস। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় থাকা মানুষদের সরিয়ে নিতে গুয়ামে পাঁচটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি (ফেমা) আগেই সেখানে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, জেনারেটর ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী মজুত করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং শুরু হওয়া এল নিনো পরিস্থিতির কারণে প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়গুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow