কয়েক মাসের মধ্যেই চালু হতে পারে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ
দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল করতে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক বাজার গড়ে তুলতে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ফিউচারস উইথ ক্যাশ সেটেলমেন্টের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করা সম্ভব হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মাল্টিপারপাস হলে সিএসই আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘কমোডিটি ডেরিভেটিভস’বিষয়ক ষষ্ঠ সার্টিফিকেট প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা জানান। প্রশিক্ষণে সিএসই ও ডিএসইর ট্রেকধারীসহ পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন বিএসইসির কমিশনার মো. নাফিজ আল তারিক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান বাজার কাঠামোর মধ্যেই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করা সময়ের অন্যতম দাবি। এ লক্ষ্যে সিএসই ইতোমধ্যে অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করেছে এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করতে বিএসইসি নীতিগতভাবে সম্মত। তিনি বল
দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল করতে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক বাজার গড়ে তুলতে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ফিউচারস উইথ ক্যাশ সেটেলমেন্টের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করা সম্ভব হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।
রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মাল্টিপারপাস হলে সিএসই আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘কমোডিটি ডেরিভেটিভস’বিষয়ক ষষ্ঠ সার্টিফিকেট প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা জানান। প্রশিক্ষণে সিএসই ও ডিএসইর ট্রেকধারীসহ পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন বিএসইসির কমিশনার মো. নাফিজ আল তারিক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান বাজার কাঠামোর মধ্যেই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করা সময়ের অন্যতম দাবি। এ লক্ষ্যে সিএসই ইতোমধ্যে অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করেছে এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করতে বিএসইসি নীতিগতভাবে সম্মত।
তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করে ফিউচারস উইথ ক্যাশ সেটেলমেন্টের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জের যাত্রা শুরু হবে বলে আশা করছি।
অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে নাফিজ আল তারিক বলেন, দুই দিনের প্রশিক্ষণে কমোডিটি বাজার সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া সম্ভব না হলেও এটি একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে নতুন এ বাজারে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার আহ্বান জানান তিনি।
সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, ইকুইটি বাজারকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অন্যান্য বাজার-সেগমেন্টও চালু করা প্রয়োজন। একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক বাজারের সুফল পেতে হলে কমোডিটি ডেরিভেটিভসসহ অন্যান্য সেগমেন্ট দ্রুত চালু করতে হবে।
তিনি জানান, কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে ইকুইটি ডেরিভেটিভস চালুর জন্যও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বর্তমানে বাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রয়োজনীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে গত তিন বছরে একাধিক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যারা দক্ষ হয়ে উঠছেন, ভবিষ্যতে তারাই কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং টার্মিনাল পরিচালনা করবেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই কমোডিটি এক্সচেঞ্জের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো চালু করা সম্ভব হবে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, কমোডিটি ডেরিভেটিভস বাজার চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ কাজ সিএসই ও বিএসইসি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। শুরু থেকেই এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এ বাজারের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। নতুন এ বাজারে যুক্ত হতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিএসইসি ও সিএসইর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের সনদ দেওয়া হবে।
What's Your Reaction?