খাগড়াছড়িতে ২৪টি গুইসাপসহ নারী আটক
খাগড়াছড়ি সদরের চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় ২৪টি গুইসাপসহ প্রেমরাছো মারমা (৪৭) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে এসব গুইসাপ উদ্ধারসহ ওই নারীকে করে। তিনি প্রেমরাছো মারমা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার কুরাদিয়াছড়া গ্রামের অংগিও মারমার স্ত্রী। বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় পাঁচটি বস্তায় থাকা গুইসাপগুলো উদ্ধার এবং প্রেমরাছো মারমাকে আটক করা হয়। আরও পড়ুন মানুষের সঙ্গে ‘সংঘাতে’ হেরে যাচ্ছে রাঙ্গামাটির হাতি আটক প্রেমরাছো মারমা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি খাগড়াছড়িতে বিক্রির জন্য চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট থেকে ২২ হাজার টাকায় গুইসাপগুলো কিনে আনেন। খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা জানান, পাঁচটি বস্তায় মোট ২৪টি গুইসাপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১০টি জীবিত এবং ১৪টি মৃত ছিল। তিনি আরও বলেন, জীবিত ১০টি গুইসাপ আলুটিলার প্রাকৃতিক বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মৃত ১৪টি গুইসা
খাগড়াছড়ি সদরের চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় ২৪টি গুইসাপসহ প্রেমরাছো মারমা (৪৭) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে এসব গুইসাপ উদ্ধারসহ ওই নারীকে করে। তিনি প্রেমরাছো মারমা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার কুরাদিয়াছড়া গ্রামের অংগিও মারমার স্ত্রী।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় পাঁচটি বস্তায় থাকা গুইসাপগুলো উদ্ধার এবং প্রেমরাছো মারমাকে আটক করা হয়।
আটক প্রেমরাছো মারমা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি খাগড়াছড়িতে বিক্রির জন্য চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট থেকে ২২ হাজার টাকায় গুইসাপগুলো কিনে আনেন।
খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা জানান, পাঁচটি বস্তায় মোট ২৪টি গুইসাপ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১০টি জীবিত এবং ১৪টি মৃত ছিল।
তিনি আরও বলেন, জীবিত ১০টি গুইসাপ আলুটিলার প্রাকৃতিক বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে মৃত ১৪টি গুইসাপ মাটিচাপা দেওয়া হয়।
বন বিভাগের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বন্যপ্রাণী ধরা, পরিবহন ও বিক্রির মতো কর্মকাণ্ড জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দুর্জয় গোস্বামী জানান, আটক প্রেমরাছো মারমাকে খাগড়াছড়ি সদর থানায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রবীর সুমন/ইএ
What's Your Reaction?

