খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, শনিবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের আয়োজনে "লাইফ সায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (লাইফটেক-২০২৬)" শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার এসব কথা বলেন।জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফ হোসেন গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য হলো লাইফ সায়েন্স, হেলথ ও বায়োটেকনোলজি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী ধারাগুলোকে একত্রিত করা ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উন্নয়ন সাধন। দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে জীববিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং বৈজ্ঞান
বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, শনিবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের আয়োজনে "লাইফ সায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (লাইফটেক-২০২৬)" শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার এসব কথা বলেন।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফ হোসেন গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য হলো লাইফ সায়েন্স, হেলথ ও বায়োটেকনোলজি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী ধারাগুলোকে একত্রিত করা ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উন্নয়ন সাধন। দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। কনফারেন্সে জীববিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং বৈজ্ঞানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের করতে এ ধরনের কনফারেন্স ও সেমিনারের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ হলো মাছে ভাতে বাঙালির দেশ। এই দেশ মাছ উৎপাদন ও রপ্তানিতে অনেক এগিয়ে। মাছ শুধু প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারই নয়, মাছে রয়েছে ত্বকের জন্য বিশেষ উপাদান যা আমাদের ত্বককে ভালো রাখে। দক্ষিণাঞ্চলকে বলা হয় মাছের অভয়ারণ্য। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষে এই অঞ্চলের চাষিরা তাদের ধারাবাহিক সফলতা বজায় রেখে চলেছে। এই ধারাকে আরও বেগবান করতে ইতোমধ্যে অনেক কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক গবেষণা এই ধারায় আরও নতুন মাত্রা যোগ করবে।
কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের সফলতা তুলে ধরে বলেন, এই অনুষদ শুধু গবেষণায় এগিয়ে নয়, আধুনিক গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে খুলনা অঞ্চলের মৎস্য চাষী থেকে শুরু করে ফুল চাষীদের জন্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
তিনি আরও বলেন, যবিপ্রবিতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য জ্ঞান বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এতে দেশি-বিদেশি গবেষকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।
কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনফারেন্সের সম্মানিত অতিথি ও এশিয়ান ফেডারেশন অব বায়োটেকনোলজির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান, যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, কনফারেন্সের আহবায়ক ও জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, কনফারেন্সের অর্গানাইজিং সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান।
এছাড়াও কনফারেন্সে দেশি-বিদেশি গবেষক ও আলোচকসহ যবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যবিপ্রবির জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন রুপম ও শান্তা সেন।
What's Your Reaction?