খাদ্য সংকটে পড়তে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব 

বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের খাদ্য সংকটের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেও।   তিনি জানান, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক সার সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সার পরিবহন প্রায় বন্ধ থাকায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর ফলে ফসলের ফলন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।’      আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তোরেও বলেন, ‘পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। কারণ আমরা এখন ফসলের মৌসুমের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পড়েছি।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘এশিয়ার কিছু দেশে ফসল উৎপাদনের মৌসুম ইতোমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। ফলে সেখানে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো বড় কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক দেশগুলো গম ও ভুট্টার পরিবর্তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ফসল যেমন, সয়াবিনের দিকে ঝুঁকতে পারে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বাড়ায় অনেক কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনের দিকেও মনোযোগ দিতে পারেন।’  এদিকে ইতোমধ্যেই গম ও সয়াবিনের দাম বাড়তে শুরু করেছে। তোরেওর আশঙ্কা, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আগামী বছর দ্রব্যমূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যেতে প

খাদ্য সংকটে পড়তে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব 
বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের খাদ্য সংকটের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেও।   তিনি জানান, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক সার সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সার পরিবহন প্রায় বন্ধ থাকায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর ফলে ফসলের ফলন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।’      আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তোরেও বলেন, ‘পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। কারণ আমরা এখন ফসলের মৌসুমের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পড়েছি।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘এশিয়ার কিছু দেশে ফসল উৎপাদনের মৌসুম ইতোমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে। ফলে সেখানে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো বড় কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক দেশগুলো গম ও ভুট্টার পরিবর্তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ফসল যেমন, সয়াবিনের দিকে ঝুঁকতে পারে। পাশাপাশি জ্বালানির দাম বাড়ায় অনেক কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনের দিকেও মনোযোগ দিতে পারেন।’  এদিকে ইতোমধ্যেই গম ও সয়াবিনের দাম বাড়তে শুরু করেছে। তোরেওর আশঙ্কা, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আগামী বছর দ্রব্যমূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যেতে পারে।  তিনি বলেন, ‘খাদ্যদ্রব্যের দাম শুধু কৃষিপণ্যের ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে জ্বালানির দামও জড়িত। ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বাড়বে।’  সবশেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এ সংকট ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে। সময় যত যাচ্ছে, পরিস্থিতি ততই খারাপের দিকে যাচ্ছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow