খামেনির মহাপ্রয়াণ মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের মূল শক্তি: পেজেশকিয়ান
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইসলামি বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জীবন ও তার মহাপ্রয়াণ বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পথে এক অনন্য প্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) তেহরানে অনুষ্ঠিত ‘ইমাম খামেনি: প্রতিরোধের চিরন্তন নেতা’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনি সর্বদা মুসলিম উম্মাহর জন্য ঐক্যকে একটি অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি তার জীবনের এক বিশাল সময় বক্তৃতা, প্রবন্ধ এবং বইয়ের মাধ্যমে এই ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে গেছেন। পেজেশকিয়ানের মতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানবিরোধী মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রথম দিনে খামেনির মৃত্যুবরণের ঘটনাটি সারা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানকে এক হওয়ার নতুন দিশা দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ‘খামেনির মতো নেতাদের চিন্তা ও বার্তা মহাপ্রয়াণের মাধ্যমে শেষ হয়ে যায় না; বরং তা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সত্য, ন্যায়বিচার এবং প্রতিরোধের পথপ্রদর্শক হিসেবে বেঁচে থাকে’।
তার মতে, খামেনির রেখে যাওয়া আদর্শই এখন মুসলিম বিশ্বের লড়াইয়ের প
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইসলামি বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির জীবন ও তার মহাপ্রয়াণ বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পথে এক অনন্য প্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) তেহরানে অনুষ্ঠিত ‘ইমাম খামেনি: প্রতিরোধের চিরন্তন নেতা’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনি সর্বদা মুসলিম উম্মাহর জন্য ঐক্যকে একটি অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি তার জীবনের এক বিশাল সময় বক্তৃতা, প্রবন্ধ এবং বইয়ের মাধ্যমে এই ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে গেছেন। পেজেশকিয়ানের মতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানবিরোধী মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রথম দিনে খামেনির মৃত্যুবরণের ঘটনাটি সারা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানকে এক হওয়ার নতুন দিশা দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ‘খামেনির মতো নেতাদের চিন্তা ও বার্তা মহাপ্রয়াণের মাধ্যমে শেষ হয়ে যায় না; বরং তা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সত্য, ন্যায়বিচার এবং প্রতিরোধের পথপ্রদর্শক হিসেবে বেঁচে থাকে’।
তার মতে, খামেনির রেখে যাওয়া আদর্শই এখন মুসলিম বিশ্বের লড়াইয়ের প্রধান চালিকাশক্তি।
এদিকে, মুসলিম দেশগুলোকে দুর্বল করতে শত্রুপক্ষ পরিকল্পিতভাবে বিজ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হত্যার নীতি গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেন পেজেশকিয়ান। তিনি তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বর্তমান ইসরায়েলি শাসনগোষ্ঠী প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ড ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নির্মূল করার কথা বলছে।আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো যেখানে এসব অপরাধ ঠেকাতে সক্রিয় হওয়ার কথা, সেখানে বাস্তবে তাদের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তথ্যসূত্র: প্রেস টিভি