খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন কত কোটি মানুষ, জানাল ইরানি গণমাধ্যম

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী জানাজা ও দাফনে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি জানিয়েছে, ৬ দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার মাশহাদের ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে আলি খামেনিকে দাফন করা হয়। এ সময়ে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এই শোকযাত্রাকে বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসমাগম বলে উল্লেখ করেছে। তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদে অনুষ্ঠিত শোকানুষ্ঠানে বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এছাড়া হামাস, ইসলামিক জিহাদ, হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। দাফন অনুষ্ঠানে খামেনির তিন ছেলে মোস্তফা, মেইসাম ও মাসউদ উপস্থিত থাকলেও তার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনিকে কোনো পর্বেই জনসম্মুখে দেখা যায়নি। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তার বাবা নিহত হওয়ার পর থেকেই তিনি জনসম্মুখে আসেননি। গত ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল

খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন কত কোটি মানুষ, জানাল ইরানি গণমাধ্যম

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী জানাজা ও দাফনে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি জানিয়েছে, ৬ দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার মাশহাদের ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে আলি খামেনিকে দাফন করা হয়। এ সময়ে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এই শোকযাত্রাকে বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসমাগম বলে উল্লেখ করেছে।

তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদে অনুষ্ঠিত শোকানুষ্ঠানে বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এছাড়া হামাস, ইসলামিক জিহাদ, হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

দাফন অনুষ্ঠানে খামেনির তিন ছেলে মোস্তফা, মেইসাম ও মাসউদ উপস্থিত থাকলেও তার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনিকে কোনো পর্বেই জনসম্মুখে দেখা যায়নি। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তার বাবা নিহত হওয়ার পর থেকেই তিনি জনসম্মুখে আসেননি।

গত ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে খামেনির কফিন সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হলে সেখান থেকেই আনুষ্ঠানিক শোকযাত্রা শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর কারণে মার্চে নির্ধারিত জানাজা ও দাফন পরে স্থগিত করা হয়েছিল।

এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে সই করলেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আবারও দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বেড়েছে। সর্বশেষ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে তেহরান।

সূত্র : আল জাজিরা ও মিডল ইস্ট আই
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow