খামেনির শেষকৃত্যে ফিরে এলেন 'মৃত' আহমাদিনেজাদ
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে প্রকাশ্যে দেখা গেছে। এর মধ্য দিয়ে কয়েক মাস ধরে চলা তার মৃত্যুর গুঞ্জনের অবসান হলো। সোমবার তেহরানে খামেনির শেষ বিদায়ে ও শোক মিছিলে লাখো মানুষের সঙ্গে অংশ নেন আহমাদিনেজাদ। কালো পোশাক ও মুখে মাস্ক ঝুলিয়ে তাকে শোকযাত্রায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের কয়েকটি রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহমাদিনেজাদও নিহত হয়েছেন। তবে সে সময় সরকারিভাবে তার মৃত্যু বা জীবিত থাকার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি। এরপর কয়েক মাস তিনি জনসমক্ষে না আসায় গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। সোমবার খামেনির শেষ বিদায়ে তার উপস্থিতির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, তিনি জীবিত আছেন। এদিকে তেহরানে অনুষ্ঠিত এই রাষ্ট্রীয় শোকযাত্রায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ভিডিওতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে লাখো মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই শোকযাত্রায় প্রায় দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। ত
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে প্রকাশ্যে দেখা গেছে। এর মধ্য দিয়ে কয়েক মাস ধরে চলা তার মৃত্যুর গুঞ্জনের অবসান হলো।
সোমবার তেহরানে খামেনির শেষ বিদায়ে ও শোক মিছিলে লাখো মানুষের সঙ্গে অংশ নেন আহমাদিনেজাদ। কালো পোশাক ও মুখে মাস্ক ঝুলিয়ে তাকে শোকযাত্রায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের কয়েকটি রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহমাদিনেজাদও নিহত হয়েছেন। তবে সে সময় সরকারিভাবে তার মৃত্যু বা জীবিত থাকার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি। এরপর কয়েক মাস তিনি জনসমক্ষে না আসায় গুঞ্জন আরও জোরালো হয়।
সোমবার খামেনির শেষ বিদায়ে তার উপস্থিতির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে, তিনি জীবিত আছেন।
এদিকে তেহরানে অনুষ্ঠিত এই রাষ্ট্রীয় শোকযাত্রায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ভিডিওতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে লাখো মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই শোকযাত্রায় প্রায় দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন।
তবে দেশটির সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি এবং হাসান রুহানি শেষ বিদায়ে উপস্থিত ছিলেন না। সমালোচকদের দাবি, তাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া অনেকের হাতে যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী ব্যানার ও পোস্টার দেখা যায়। অনেকেই খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার দাবিও জানান।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
What's Your Reaction?