খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি পানিসম্পদ মন্ত্রীর
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দীর্ঘদিন খাল খনন ও সংস্কার না হওয়ায় চুয়াডাঙ্গাসহ সারা দেশে সেচ ব্যবস্থায় ঘাটতি এবং জলাবদ্ধতা বেড়েছে, যা কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে মারাত্মক দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। খালের তলদেশের গড় প্রস্থ ৭ মিটার এবং গড় গভীরতা ১ দশমিক ৫ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি প্রায় ৫ হাজার ২০০ কৃষকসহ এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, অতীতে অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে, কিছু খাল দখল করে লিজ দেওয়া হয়েছে এবং কোথাও আবাদ করা হয়েছে। ফলে প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হলে এবং কৃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দীর্ঘদিন খাল খনন ও সংস্কার না হওয়ায় চুয়াডাঙ্গাসহ সারা দেশে সেচ ব্যবস্থায় ঘাটতি এবং জলাবদ্ধতা বেড়েছে, যা কৃষি উৎপাদন ও জনজীবনে মারাত্মক দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, খাল দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। খালের তলদেশের গড় প্রস্থ ৭ মিটার এবং গড় গভীরতা ১ দশমিক ৫ মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি প্রায় ৫ হাজার ২০০ কৃষকসহ এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, অতীতে অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে, কিছু খাল দখল করে লিজ দেওয়া হয়েছে এবং কোথাও আবাদ করা হয়েছে। ফলে প্রাকৃতিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হলে এবং কৃষকদের টিকিয়ে রাখতে হলে খাল খনন ও পুনরুদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার খাল পুনঃখনন কার্যক্রম জোরদার করছে এবং অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে কৃষকদের প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে। এতে কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, কৃষিই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।
জলবায়ু পরিবর্তন ও বন উজাড়ের প্রভাব তুলে ধরে এ্যানি বলেন, পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার অন্যতম কারণ নির্বিচারে বৃক্ষনিধন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে। খাল পুনঃখননের পাশাপাশি এর দুই তীরে বৃক্ষরোপণ করা হবে এবং খালগুলোতে মাছ ও হাঁস চাষের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এছাড়াও খালের দুধারে সবুজ বনায়ন গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, খাল খনন কাজে শুধু যন্ত্রনির্ভর না হয়ে নারী-পুরুষ শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করা হবে, যাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে। খনন কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে। খাল খনন ও জলাশয় পুনরুদ্ধারে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী শাজাহান সিরাজ, জেলা প্রশাসক মিজ লুৎফন নাহার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের চুয়াডাঙ্গার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ আহমেদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার।
What's Your Reaction?