খালেদ না এবাদত, থার্ড পেসার কে?
ব্যাটার কাম উইকেটকিপার জাকের আলী অনিক আর পেসার মুশফিক হাসান ফিরে আসছেন দেশে। তারা দু‘জনই বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় দুটি ৪ দিনের ম্যাচ খেলতে যাবেন। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট সিরিজ শুরুর ২৪ ঘণ্টারও কম সময় আগের খবর। এ খবরের সঙ্গে আরও দুটি খবরও আছে। প্রথম খবরটি জাগো নিউজের পাঠকরা গতকাল ১১ আগস্ট রাতেই জেনে গেছেন। যা হলো, মিডল অর্ডার ব্যাটার ও উইকেটকিপার লিটন দাস শতভাগ ফিটনেস ফিরে পেয়েছেন। পাশাপাশি আরও একটি খবর আছে। তাহলো, ইনজুরি কাটিয়ে শতভাগ ফিট হয়ে উঠেছেন বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। আজ বুধবার রাতেই অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন বাঁ-হাতি এই ফাস্টবোলার। ধরেই নেয়া যায়, লিটন দাস আগামীকাল ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্ট খেলবেন। আর শরিফুল দ্বিতীয় টেস্টের জন্য অ্যাভেইলেবল। মুশফিক দেশে ফেরত আসা মানেই তার আর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট খেলার কোনোই সম্ভাবনা নেই। এদিকে নাহিদ রানা নেই। খুব স্বাভাবিকভাবেই জেগেছে প্রশ্ন, পেস বোলিং ইউনিটটা কাদের নিয়ে সাজানো হবে? কজন পেসার খেলবেন এবং তারা কারা? যদিও খেলা হবে ড্রপ-ইন পিচে এবং এই পিচ ততটা ফাস্টবোলিং ফ্রেন্ডলি নয়। বল পিচ পড়ে অস্ট্রেলি
ব্যাটার কাম উইকেটকিপার জাকের আলী অনিক আর পেসার মুশফিক হাসান ফিরে আসছেন দেশে। তারা দু‘জনই বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় দুটি ৪ দিনের ম্যাচ খেলতে যাবেন। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট সিরিজ শুরুর ২৪ ঘণ্টারও কম সময় আগের খবর। এ খবরের সঙ্গে আরও দুটি খবরও আছে।
প্রথম খবরটি জাগো নিউজের পাঠকরা গতকাল ১১ আগস্ট রাতেই জেনে গেছেন। যা হলো, মিডল অর্ডার ব্যাটার ও উইকেটকিপার লিটন দাস শতভাগ ফিটনেস ফিরে পেয়েছেন। পাশাপাশি আরও একটি খবর আছে। তাহলো, ইনজুরি কাটিয়ে শতভাগ ফিট হয়ে উঠেছেন বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। আজ বুধবার রাতেই অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন বাঁ-হাতি এই ফাস্টবোলার।
ধরেই নেয়া যায়, লিটন দাস আগামীকাল ১৩ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্ট খেলবেন। আর শরিফুল দ্বিতীয় টেস্টের জন্য অ্যাভেইলেবল।
মুশফিক দেশে ফেরত আসা মানেই তার আর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট খেলার কোনোই সম্ভাবনা নেই। এদিকে নাহিদ রানা নেই। খুব স্বাভাবিকভাবেই জেগেছে প্রশ্ন, পেস বোলিং ইউনিটটা কাদের নিয়ে সাজানো হবে? কজন পেসার খেলবেন এবং তারা কারা?
যদিও খেলা হবে ড্রপ-ইন পিচে এবং এই পিচ ততটা ফাস্টবোলিং ফ্রেন্ডলি নয়। বল পিচ পড়ে অস্ট্রেলিয়ার অন্য সব পিচ, বিশেষ করে পার্থের ওয়াকা, গ্যাবা, মেলবোর্ন, সিডনির মতো দ্রুত ব্যাটে আসে না। একটু মাঝারি গতিতে ব্যাটে আসে।
তারপরও অস্ট্রেলিয়ান কন্ডিশনে তিনজনের কম ফাস্টবোলার খেলানো ঝুঁকিপূর্ণ। সেক্ষেত্রে তাসকিন আর হাসান মাহমুদের খেলা নিশ্চিত। এখন থার্ড সিমার হিসেবে কাকে খেলানো হবে, সেটাই দেখার।
মুশফিক ফিরে যাচ্ছেন দেশে, আর আছেন এবাদত ও খালেদ। এদের যে কোনো একজনকেই বেছে নেয়া হবে। তিনি কে? এবাদত, না খালেদ? কে খেলবেন থার্ড পেসার হিসেবে? সে প্রশ্ন অনেকেরই।
নাহিদ রানা সুস্থ থাকলে এ প্রশ্ন উঠত না। নাহিদ রানার অনুপস্থিতিতেই সে প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। আসলে এবাদত আর খালেদ- কারও অবস্থাই ভালো না।
পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, দুজনই শেষ তিন টেস্টে ভালো করেননি। খালেদ শেষ তিন টেস্টে উইকেট পেয়েছেন মোটে ৬টি। এক ইনিংসে সেরা বোলিং ৩৯ রানে ২ উইকেট।
এবাদতের অবস্থা খালেদের চেয়েও অনেক বেশি খারাপ। শেষ ৪ টেস্টে (০/৫৫, ১/৪৭, ০/২৯, ০/৫৪, ০/৯ ও ০/৯৬) তিনবার উইকেট না পাওয়া এবাদতের উইকেট মোটে একটি।
কাজেই এবাদতকে খেলানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সেক্ষেত্রে খারাপের মধ্যে শ্রেয় খালেদকেই হয়তো ডারউইনে তাসকিন আর হাসান মাহমুদের সঙ্গে পেস বোলিং ইউনিটে দেখা যাবে।
এআরবি/আইএইচএস/ইএ
What's Your Reaction?