খুঁটি থেকে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে প্রাণ গেল যুবকের
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে তার ছিঁড়ে পড়ে মিলন মাতুব্বর নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও তিনজন বিদ্যুৎস্পর্শে আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পূর্ব শৌলডুবী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিলন মাতুব্বর (২৬) ওই গ্রামের আব্দুর রব মাতুব্বরের ছেলে। আহতরা হলেন মিলনের ভাই মিঠু মাতুব্বর (৩০), মিঠুর স্ত্রী হেনা বেগম (২৪) এবং প্রতিবেশী ওবায়দুর শেখ (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের প্রধান বিদ্যুৎ লাইনের একটি তার ছিঁড়ে পাশের একটি গোয়ালঘরের ওপর পড়ে। এতে গোয়ালঘর থেকে কাপড় শুকানো জন্য ব্যবহার করা তারের (ধাতব তার) মাধ্যমে তিনটি বসতঘরসহ তিনটি ঘরে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় গোসল শেষে ভেজা কাপড় শুকাতে বাড়ির উঠানে টানানো জিআই তারে কাপড় মেলতে গেলে মিলন মাতুব্বর বিদ্যুতের স্পর্শে আসেন।
এ সময় তার ভাই মিঠু মাতুব্বর, ভাবি হেনা বেগম ও প্রতিবেশী ওবায়দুর শেখও আহত হন। পরে স্থানীয়রা সদরপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে খবর দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর চারজনকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ে গেলে চিকিৎসক মি
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে তার ছিঁড়ে পড়ে মিলন মাতুব্বর নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও তিনজন বিদ্যুৎস্পর্শে আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পূর্ব শৌলডুবী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মিলন মাতুব্বর (২৬) ওই গ্রামের আব্দুর রব মাতুব্বরের ছেলে। আহতরা হলেন মিলনের ভাই মিঠু মাতুব্বর (৩০), মিঠুর স্ত্রী হেনা বেগম (২৪) এবং প্রতিবেশী ওবায়দুর শেখ (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের প্রধান বিদ্যুৎ লাইনের একটি তার ছিঁড়ে পাশের একটি গোয়ালঘরের ওপর পড়ে। এতে গোয়ালঘর থেকে কাপড় শুকানো জন্য ব্যবহার করা তারের (ধাতব তার) মাধ্যমে তিনটি বসতঘরসহ তিনটি ঘরে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় গোসল শেষে ভেজা কাপড় শুকাতে বাড়ির উঠানে টানানো জিআই তারে কাপড় মেলতে গেলে মিলন মাতুব্বর বিদ্যুতের স্পর্শে আসেন।
এ সময় তার ভাই মিঠু মাতুব্বর, ভাবি হেনা বেগম ও প্রতিবেশী ওবায়দুর শেখও আহত হন। পরে স্থানীয়রা সদরপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে খবর দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর চারজনকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ে গেলে চিকিৎসক মিলন মাতুব্বরকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সদরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে তার অফিসে গেলে বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে একাধিক বার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কল রিসিভি করেননি।
সদরপুর থানার ওসি আব্দুল আল মামুন শাহ্ বলেন, ঘটনাস্থলে আমাদের ফোর্স পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নেন। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।