খেলতে গিয়ে পানিভর্তি গর্তে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বাড়ির পাশের গর্তে জমে থাকা পানিতে ডুবে জুনায়েত (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার পালের চর ইউনিয়নের সরদার কান্দি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জুনায়েত ওই গ্রামের রানা রাঢ়ীর ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে শিশুটির মা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় জুনায়েত বাড়ির পাশেই খেলছিল। আগে মাটি কাটার কারণে বাড়ির পাশে একটি গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে গর্তটি পানিতে ভরে যায়। খেলতে খেলতে একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত জুনায়েত ওই গর্তে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে গর্তের পানিতে উপুড় হয়ে থাকা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের চাচা শাহ আলম রাড়ী বলেন, বাড়ির পাশে মাটি কাটার কারণে তৈরি হওয়া গর্তে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত আমার ভাতিজা সেখানে পড়ে যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকে
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বাড়ির পাশের গর্তে জমে থাকা পানিতে ডুবে জুনায়েত (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার পালের চর ইউনিয়নের সরদার কান্দি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুনায়েত ওই গ্রামের রানা রাঢ়ীর ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে শিশুটির মা রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় জুনায়েত বাড়ির পাশেই খেলছিল। আগে মাটি কাটার কারণে বাড়ির পাশে একটি গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়। সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে গর্তটি পানিতে ভরে যায়।
খেলতে খেলতে একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত জুনায়েত ওই গর্তে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে গর্তের পানিতে উপুড় হয়ে থাকা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা শাহ আলম রাড়ী বলেন, বাড়ির পাশে মাটি কাটার কারণে তৈরি হওয়া গর্তে বৃষ্টির পানি জমে ছিল। খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত আমার ভাতিজা সেখানে পড়ে যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ওমর ফারুক বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষা করে তার শরীরে কোনো প্রাণের স্পন্দন পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?