খড়িবাহী ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মা-মেয়ের

নওগাঁর পত্নীতলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা সদর নজিপুর পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র চার মাথা বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  এ সময় ঘটনাস্থলেই মোটর সাইকেলে থাকা গৃহিণী খাতিজা (২৭) এবং তার ৮ বছর বয়সী শিশু সন্তান ফাতেমা জান্নাত মারা যান। তবে ঘটনাক্রমে বেঁচে চান মোটরসাইকেলের চালক কাউসার (৩৪)। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খড়িবোঝাই একটি ট্রাক সাপাহার রোড দিয়ে চারমাথা পার হওয়ার নজিপুর চারমাথার সন্নিকটে সাপাহার রোডে নিহত খাতিজা, ফাতেমা ও কাউসার ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে। এ সময় তারা নজিপুর থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ গ্রামে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তারা এ দুর্ঘটনার শিকার হন।  দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ট্রাকটি আটক করে বিক্ষোভ শুরু করলে নজিপুর থেকে সাপাহার, ধামইরহাট, বদলগাছী ও নওগাঁর সঙ্গে নজিপুরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাখানিক পর সেনাবাহিনীর টিম এসে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে থানা পুলিশ ট্রাকটি আটক করে থানায় নেয়। এ মর

খড়িবাহী ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মা-মেয়ের

নওগাঁর পত্নীতলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা সদর নজিপুর পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র চার মাথা বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

এ সময় ঘটনাস্থলেই মোটর সাইকেলে থাকা গৃহিণী খাতিজা (২৭) এবং তার ৮ বছর বয়সী শিশু সন্তান ফাতেমা জান্নাত মারা যান। তবে ঘটনাক্রমে বেঁচে চান মোটরসাইকেলের চালক কাউসার (৩৪)। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খড়িবোঝাই একটি ট্রাক সাপাহার রোড দিয়ে চারমাথা পার হওয়ার নজিপুর চারমাথার সন্নিকটে সাপাহার রোডে নিহত খাতিজা, ফাতেমা ও কাউসার ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে। এ সময় তারা নজিপুর থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ গ্রামে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তারা এ দুর্ঘটনার শিকার হন। 

দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা ট্রাকটি আটক করে বিক্ষোভ শুরু করলে নজিপুর থেকে সাপাহার, ধামইরহাট, বদলগাছী ও নওগাঁর সঙ্গে নজিপুরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাখানিক পর সেনাবাহিনীর টিম এসে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে থানা পুলিশ ট্রাকটি আটক করে থানায় নেয়।

এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য স্থানীয় জনতা সড়কের উপর অবৈধ পার্কিং, অনুমোদনহীন চার্জারের নিয়ন্ত্রণহীন চলাচল এবং সড়কের ওপর অবৈধভাবে নির্মাণসামগ্রী রাখাকে দায়ী করেছেন এবং সড়ক যানজটমুক্ত রাখার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow