গণতন্ত্রের সঙ্গে খালেদা জিয়ার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত : কবীর ভূঁইয়া
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ও রুহের মাগফিরাত কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার উদ্যোগে এক কোরআন খানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার নিজ বাসভবনে আয়োজিত এই মাহফিলে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগকে স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিকাশ ও অগ্রগতির ইতিহাস তার নামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে তিনি যে অকুতোভয় নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দোয়া মাহফিল শেষে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং তিনি ছিলেন এ দেশের আপামর মান
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ও রুহের মাগফিরাত কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার উদ্যোগে এক কোরআন খানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তার নিজ বাসভবনে আয়োজিত এই মাহফিলে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগকে স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিকাশ ও অগ্রগতির ইতিহাস তার নামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে তিনি যে অকুতোভয় নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
দোয়া মাহফিল শেষে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং তিনি ছিলেন এ দেশের আপামর মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার এই ঋণ জাতি কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।
মাহফিলে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ সময় বেগম জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে তার ‘অসমাপ্ত সংগ্রাম’ সফল করার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আরও বেগবান করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার প্রয়াণে বর্তমানে সারাদেশে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
What's Your Reaction?