গণভোট বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে ১১ দলের স্মারকলিপি

অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।  মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি প্রতিনিধিদল স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেন। এর আগে বেলা ২টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। স্মারকলিপিতে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং জুলাই সনদে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যকর করার দাবিতে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয়,  বিচার ও সংস্কার বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা জনগণের প্রত্যাশা ব্যাহত করছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে।   ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ

গণভোট বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে ১১ দলের স্মারকলিপি
অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।  মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি প্রতিনিধিদল স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেন। এর আগে বেলা ২টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। স্মারকলিপিতে ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং জুলাই সনদে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যকর করার দাবিতে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয়,  বিচার ও সংস্কার বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা জনগণের প্রত্যাশা ব্যাহত করছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে।   ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার, আইনের শাসন ও সুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের উদ্যোগ, শহীদ পরিবার ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন, জুলাইয়ের চেতনা সংরক্ষণে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ এবং আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে ন্যায়বিচার, ইনসাফ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন অপরিহার্য।   মানববন্ধনে প্রধান অতিথি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশের রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়ে সংঘাতের দিকে যেতে পারে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে স্পিকারের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্পিকার ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন। সভাপতির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে সংসদ পরিচালনা করা যাবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে আরও একটি জুলাই বিপ্লব হবে, তার পরও আমরা রাজপথ ছাড়ব না। স্মারকলিপি প্রদানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শহীদ জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়া এমপি, জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি ও মো. সেলিম উদ্দিন, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, জাগপা সহসভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow