গণভোটে ‌‘হ্যাঁ’ ভোট দিতেই কেন্দ্রে যাবো: রাবি উপাচার্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্যই ভোটকেন্দ্রে যাবো। হাজারো তরুণের রক্তের বিনিময়ে গড়ে ওঠা নতুন বাংলাদেশের পথকে এগিয়ে নিতে এই হ্যাঁ ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব ও নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রতীক। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত গণভোট–২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। উপাচার্য বলেন, গণভোটের কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও তার নিজের ভেতরে একটি প্রতীক রয়েছে। আমার মনের গভীরে একটি মার্কা আছে সেটি লাল। এই লাল হলো আমাদের সন্তানদের রক্তের চিহ্ন। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করলে বোঝা যায়, দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য গণভোটের প্রস্তুতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। হ্যাঁ ভোট দেওয়ার অর্থ শুধু একটি মত প্রকাশ নয়, বরং তরুণদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং তাদের রক্তের ঋণ শোধের প্রতীক। এ সময় রাষ্ট্রের বিদ্যমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ১২ তারিখের ভোটকে ঘিরে দেশে এক ধরনের প্রবল উত্তেজনা লক্ষ্য করা

গণভোটে ‌‘হ্যাঁ’ ভোট দিতেই কেন্দ্রে যাবো: রাবি উপাচার্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্যই ভোটকেন্দ্রে যাবো। হাজারো তরুণের রক্তের বিনিময়ে গড়ে ওঠা নতুন বাংলাদেশের পথকে এগিয়ে নিতে এই হ্যাঁ ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব ও নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রতীক।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত গণভোট–২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, গণভোটের কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও তার নিজের ভেতরে একটি প্রতীক রয়েছে। আমার মনের গভীরে একটি মার্কা আছে সেটি লাল। এই লাল হলো আমাদের সন্তানদের রক্তের চিহ্ন।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করলে বোঝা যায়, দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য গণভোটের প্রস্তুতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। হ্যাঁ ভোট দেওয়ার অর্থ শুধু একটি মত প্রকাশ নয়, বরং তরুণদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং তাদের রক্তের ঋণ শোধের প্রতীক।

এ সময় রাষ্ট্রের বিদ্যমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, ১২ তারিখের ভোটকে ঘিরে দেশে এক ধরনের প্রবল উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাষ্ট্রে কিছু গোষ্ঠী বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যা আর পেছনের দিকে ফেরানো সম্ভব নয়। কিছু মানুষ হয়ত আগের পদ্ধতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু আমি লিখে দিতে পারি এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।

তিনি দাবি করেন, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভয় ও দুর্বলতা ছিল, তা ভেঙে গেছে। যারা ভয় পায় না, তাদের আতঙ্ক সৃষ্টি করে শাসন করা দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছু নয়। তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভয় ও দুর্বলতা একসময় ছিল, তা ভেঙে গেছে। এখন তারা আর কোনো কিছুতে ভীত নয়।

মনির হোসেন মাহিন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow