গণভোটের রায় বাস্তবায়নে শেষ লড়াইয়ের জন্য জামায়াত প্রস্তুত

অতীতের তিনবার সংবিধান উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার গণভোটের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও ছাব্বিশের নির্বাচনের গণভোটকে বিএনপি অস্বীকার করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে মুন্সিগঞ্জের পুরাতন কাচারি চত্বর এলাকায় রয়েল পার্টি সেন্টারে আয়োজিত জেলা জামায়াতের বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, ‌‘রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিলেও বিএনপি সরকার গঠনের পর যেভাবে প্রতারণা করেছে গণভোটকে অস্বীকার করে, তা দেশের মানুষকে ব্যথিত করেছে। ফলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা শেষ লড়াই চালিয়ে যাবো।’ ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, সারাদেশে চাঁদাবাজির মতো বিষফোঁড়া ধ্বংস করে দিলেই সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে। কারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত তা জনগণ জানে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি কমছে না বরং বাড়ছে। রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে শেষ লড়াইয়ের জন্য জামায়াত প্রস্তুত

অতীতের তিনবার সংবিধান উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার গণভোটের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও ছাব্বিশের নির্বাচনের গণভোটকে বিএনপি অস্বীকার করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে মুন্সিগঞ্জের পুরাতন কাচারি চত্বর এলাকায় রয়েল পার্টি সেন্টারে আয়োজিত জেলা জামায়াতের বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‌‘রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিলেও বিএনপি সরকার গঠনের পর যেভাবে প্রতারণা করেছে গণভোটকে অস্বীকার করে, তা দেশের মানুষকে ব্যথিত করেছে। ফলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা শেষ লড়াই চালিয়ে যাবো।’

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, সারাদেশে চাঁদাবাজির মতো বিষফোঁড়া ধ্বংস করে দিলেই সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে।

কারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত তা জনগণ জানে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি কমছে না বরং বাড়ছে।

রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা টিকে আছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘কোনো দল যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে না পারে, তবে সেই দলের দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার থাকে না। যে দল নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তারাই সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।’

গণমাধ্যম প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকদের উচিত সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরা। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারলে সমাজে অন্যায়, দুর্নীতি ও পেশিশক্তির আধিপত্য টিকতে পারে না।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা দলের ভুল থাকলে তা সাহসের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে।

শুভ ঘোষ/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow