গভীর নলকূপে পড়া সেই শিশু উদ্ধার
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া তিন বছরের শিশু মিসবাহকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার পর রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়া পাড়া জয়নগর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
শিশু মিসবাহ ওই এলাকার বাসিন্দা সাইফুল আজমের ছেলে।
জানা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট টানা সাড়ে ৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে আনেন।
নিখোঁজ শিশুর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিশুটির ঘরের ৩০ থেকে ৪০ ফুট দূরে গত ৪-৫ বছর আগে সরকারিভাবে গভীর নলকূপের জন্য গর্ত খোঁড়া হয়। তবে নলকূপ বসানো হয়নি। আজ বিকেলে ওই গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয় শিশুটি।
রাউজান ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আদম আলী বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কর্মী ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ শুরু করে। গর্তটির ১২ ফুট নিচে শিশুটিকে দেখা গেছে ক্যামেরায়। এরপর কোদাল দিয়ে মাটি কেটে তাকে উদ্ধার করা হয়।
কদলপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে বলেন, তিন-চার বছর আগে সরকারি প্রকল্পের অধীনে ওই গভীর নলকূপ বসানোর কাজ হয়। পরে নলকূপ বসানো
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া তিন বছরের শিশু মিসবাহকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার পর রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়া পাড়া জয়নগর এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
শিশু মিসবাহ ওই এলাকার বাসিন্দা সাইফুল আজমের ছেলে।
জানা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট টানা সাড়ে ৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে আনেন।
নিখোঁজ শিশুর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিশুটির ঘরের ৩০ থেকে ৪০ ফুট দূরে গত ৪-৫ বছর আগে সরকারিভাবে গভীর নলকূপের জন্য গর্ত খোঁড়া হয়। তবে নলকূপ বসানো হয়নি। আজ বিকেলে ওই গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয় শিশুটি।
রাউজান ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আদম আলী বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কর্মী ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ শুরু করে। গর্তটির ১২ ফুট নিচে শিশুটিকে দেখা গেছে ক্যামেরায়। এরপর কোদাল দিয়ে মাটি কেটে তাকে উদ্ধার করা হয়।
কদলপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে বলেন, তিন-চার বছর আগে সরকারি প্রকল্পের অধীনে ওই গভীর নলকূপ বসানোর কাজ হয়। পরে নলকূপ বসানো হয়নি। কেন বসানো হয়নি, তিনি সেটি জানেন না।
রাউজান থানার ওসি মো. সাজেদুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, দুপুর আনুমানিক সাড়ে ৩টার শিশুটি গর্তে পড়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর রাত ৮টার দিকে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। উদ্ধার কাজে পুলিশ ফায়ার সার্ভিসকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে। উদ্ধারের পর শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।