গরম পানির ভাপ নিলে কি রোজা ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় ঠাণ্ডার কারণে গরম পানির ভাপ নিলে কি রোজা ভেঙে যাবে? উত্তর: রোজা অবস্থায় ঠাণ্ডার কারণে মেন্থল দিয়ে বা মেন্থল ছাড়াই গরম পানির ভাপ নিলে রোজা ভেঙে যাবে। যেহেতু গরম পানি ভাপ নিলে পানির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা নাক দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে টেনে টেনে নেওয়া হয় এবং তা শ্বাসনালীর পাশাপাশি খাদ্যনালী ও পাকস্থলীতেও পৌঁছে যায়। তবে রান্নার সময় রান্নার কিছু ধোঁয়া নাকে ঢুকলে রোজা ভাঙবে না। যেহেতু ওই ধোঁয়া ইচ্ছাকৃত ভেতরে টেনে নেওয়া হয় না বা প্রবেশ করানো হয় না। রোজা অবস্থায় মশার কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদির ধোঁয়া নাকে-মুখে চলে গেলেও রোজা নষ্ট হবে না। তবে রোজা অবস্থায় কেউ যদি ইচ্ছাকৃত নাক বা মুখ দিয়ে এগুলোর ধোঁয়া টেনে নেয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। এক নজরে যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় ১. কেউ যদি ইচ্ছা করে রমজান মাসের দিনের বেলা যৌনমিলন করে অথবা পানাহার করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। কাজা করতে হবে, কাফফারাও দিতে হবে। ২. মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী ঋতুস্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। রোজাদার অবস্থায় মাসিক শুরু হলে অথবা সন্তানের জন্ম হলে রোজা ভেঙে যাবে। পরবর্তী সময়ে এই রোজা কাজা করে নিতে হবে।

গরম পানির ভাপ নিলে কি রোজা ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় ঠাণ্ডার কারণে গরম পানির ভাপ নিলে কি রোজা ভেঙে যাবে?

উত্তর: রোজা অবস্থায় ঠাণ্ডার কারণে মেন্থল দিয়ে বা মেন্থল ছাড়াই গরম পানির ভাপ নিলে রোজা ভেঙে যাবে। যেহেতু গরম পানি ভাপ নিলে পানির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা নাক দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে টেনে টেনে নেওয়া হয় এবং তা শ্বাসনালীর পাশাপাশি খাদ্যনালী ও পাকস্থলীতেও পৌঁছে যায়।

তবে রান্নার সময় রান্নার কিছু ধোঁয়া নাকে ঢুকলে রোজা ভাঙবে না। যেহেতু ওই ধোঁয়া ইচ্ছাকৃত ভেতরে টেনে নেওয়া হয় না বা প্রবেশ করানো হয় না।

রোজা অবস্থায় মশার কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদির ধোঁয়া নাকে-মুখে চলে গেলেও রোজা নষ্ট হবে না। তবে রোজা অবস্থায় কেউ যদি ইচ্ছাকৃত নাক বা মুখ দিয়ে এগুলোর ধোঁয়া টেনে নেয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে।

এক নজরে যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায়

১. কেউ যদি ইচ্ছা করে রমজান মাসের দিনের বেলা যৌনমিলন করে অথবা পানাহার করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। কাজা করতে হবে, কাফফারাও দিতে হবে।

২. মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পরবর্তী ঋতুস্রাবের সময় রোজা রাখা নিষিদ্ধ। রোজাদার অবস্থায় মাসিক শুরু হলে অথবা সন্তানের জন্ম হলে রোজা ভেঙে যাবে। পরবর্তী সময়ে এই রোজা কাজা করে নিতে হবে।

৩. ইচ্ছা করে বমি করলে রোজা ভেঙে যাবে, বমি মুখে চলে আসর পর ইচ্ছাকৃত তা গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে, শুধু কাজা করতে হবে।

৪. রমজান মাসের দিনের বেলা ইসলাম ত্যাগ করলে বা মুরতাদ হয়ে গেলে তার রোজা ভেঙে যাবে। ইসলামে আবার ফিরে আসলে ওই রোজাটি কাজা করে নিতে হবে।

৫. কুলি করার সময় অনিচ্ছায় গলার ভেতর পানি প্রবেশ করলে, রাত অবশিষ্ট আছে মনে করে সুবহে সাদিকের পর পানাহার করলে, ইফতারের সময় হয়েছে ভেবে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে, রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অজুতে কুলি বা নাকে পানি দেওয়ার সময় ভেতরে পানি চলে গেলে রোজা ভেঙে যাবে, কাজা করে নিতে হবে।

৬. রোজা থাকার কথা ভুলে গিয়ে কোনো কিছু খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙবে না। তবে ভুলবশত খাওয়ার পর রোজা ভেঙে গেছে ভেবে ইচ্ছা করে আরো কিছু খেলে রোজা ভেঙে যাবে।

৭. জিহ্বা দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে একটি ছোলার সমান বা এর চেয়ে বড় কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে, পরে কাজা করে নিতে হবে।

৮. প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ওষুধ বা অন্য কিছু শরীরে প্রবেশ করালে, কান বা নাক দিয়ে ওষুধ প্রবেশ করালে রোজা ভেঙে যাবে, পরবর্তীতে কাজা করে নিতে হবে।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow