গরমে বাইরে বের হলে মানুন কিছু জরুরি সতর্কতা
গরমে তাপমাত্রার সঙ্গে বাড়তে থাকে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি। তীব্র রোদ, গরম বাতাস ও আর্দ্র আবহাওয়া অনেক সময় শরীরকে দ্রুত ক্লান্ত করে তোলে। বিশেষ করে যাদের প্রতিদিন কাজের প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হয়, তাদের জন্য গরমের সময়টি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তাই এই সময়ে একটু সচেতনতা ও কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে গরমের অস্বস্তি থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। পর্যাপ্ত পানি পান করুন গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে এবং বাইরে থাকার সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা খুব জরুরি। শুধু পানি নয়, ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ফলের রসও শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন গরমে ভারী বা গাঢ় রঙের পোশাকের বদলে হালকা রঙের এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরা ভালো। সুতি কাপড়ের পোশাক শরীরে বাতাস চলাচল সহজ করে এবং ঘাম কমাতে সাহায্য করে। এতে শরীর তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে। রোদ থেকে মাথা ও চোখ সুরক্ষিত রাখুন প্রখর রোদে বের হলে মাথা ঢাকার জন্য ছাতা, টুপি বা ওড়না ব্যবহার করা উচিত। এতে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যায়। পাশাপাশি
গরমে তাপমাত্রার সঙ্গে বাড়তে থাকে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি। তীব্র রোদ, গরম বাতাস ও আর্দ্র আবহাওয়া অনেক সময় শরীরকে দ্রুত ক্লান্ত করে তোলে। বিশেষ করে যাদের প্রতিদিন কাজের প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হয়, তাদের জন্য গরমের সময়টি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তাই এই সময়ে একটু সচেতনতা ও কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে গরমের অস্বস্তি থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে এবং বাইরে থাকার সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা খুব জরুরি। শুধু পানি নয়, ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ফলের রসও শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরুন
গরমে ভারী বা গাঢ় রঙের পোশাকের বদলে হালকা রঙের এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরা ভালো। সুতি কাপড়ের পোশাক শরীরে বাতাস চলাচল সহজ করে এবং ঘাম কমাতে সাহায্য করে। এতে শরীর তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে।
রোদ থেকে মাথা ও চোখ সুরক্ষিত রাখুন
প্রখর রোদে বের হলে মাথা ঢাকার জন্য ছাতা, টুপি বা ওড়না ব্যবহার করা উচিত। এতে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যায়। পাশাপাশি সানগ্লাস ব্যবহার করলে চোখও রোদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলুন
সাধারণত বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রোদ সবচেয়ে তীব্র থাকে। সম্ভব হলে এই সময়টায় বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। জরুরি প্রয়োজনে বের হলে কিছুক্ষণ পরপর ছায়াযুক্ত জায়গায় বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করুন।
নিয়মিত হালকা খাবার খান
গরমের সময় ভারী ও অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার শরীরকে আরও ক্লান্ত করে তুলতে পারে। তাই এ সময় হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো। তাজা ফল, শাকসবজি ও পানি সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
তীব্র রোদে ত্বকের ক্ষতি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় রোদে থাকতে হলে এটি ব্যবহার করা বেশ উপকারী।
শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন
গরমে যদি মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত ঘাম, বমি ভাব বা দুর্বলতা অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত বিশ্রাম নেওয়া এবং পানি পান করা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত জায়গায় কিছুক্ষণ বসে থাকা উচিত।
আরও পড়ুন:
গরমের সময় পুরোপুরি বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে কিছু সচেতনতা ও ছোট ছোট অভ্যাস মেনে চললে তীব্র গরমের মধ্যেও নিজেকে অনেকটাই সুরক্ষিত রাখা যায়। শরীরকে হাইড্রেট রাখা, রোদ থেকে সুরক্ষা নেওয়া এবং সঠিক খাবার খাওয়ার মাধ্যমে গরমের দিনগুলোও তুলনামূলক স্বস্তিতে কাটানো সম্ভব।
তথ্যসূত্র: মায়ো ক্লিনিক, হেলথ লাইন
জেএস/
What's Your Reaction?


