গরমে শরীর ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে
এই গরমে শরীর সকালে গোসল করেও কিছুক্ষণ পর আবার ঘাম, অস্বস্তি আর ক্লান্তি। অনেকেই ঘাড়, গলা, পিঠে পাউডার মেখে সাময়িক আরাম পান। কিন্তু নিয়মিত পাউডারের ওপর ভরসা না করে কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক অভ্যাস মেনে চললে শরীরকে আরও দীর্ঘ সময় ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখা সম্ভব। আর্দ্রতা দূর রাখুন গোসলের পর শরীর ভালোভাবে না শুকালে ঘাম ও আর্দ্রতা মিলে ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করে এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই গোসল শেষে শরীরের প্রতিটি ভাঁজ বিশেষ করে কব্জি, ঘাড়, বগল ও হাঁটুর পেছনের অংশগুলোতে তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে চেপে শুকিয়ে নিন। প্রয়োজনে এই জায়গাগুলোতে অল্প সময়ের জন্য ঠান্ডা ভেজা কাপড় বা আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে শরীর দ্রুত ঠান্ডা অনুভব করবে। সুতির ও ঢিলেঢালা পোশাক বেছে নিন এই গরমে সিন্থেটিক কাপড় শরীরের সবচেয়ে বড় শত্রু। এগুলো ত্বকের শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা দেয় এবং ঘাম আটকে রেখে অস্বস্তি বাড়ায়। এর পরিবর্তে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক ব্যবহার করুন। সুতির কাপড় ঘাম শোষণ করে এবং বাতাস চলাচলে সাহায্য করে, ফলে শরীর থাকে তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা ও স্বস্তিতে। জিঙ্ক অক্সাইডের সঠিক ব্যবহার ঘাম
এই গরমে শরীর সকালে গোসল করেও কিছুক্ষণ পর আবার ঘাম, অস্বস্তি আর ক্লান্তি। অনেকেই ঘাড়, গলা, পিঠে পাউডার মেখে সাময়িক আরাম পান। কিন্তু নিয়মিত পাউডারের ওপর ভরসা না করে কিছু সহজ ও প্রাকৃতিক অভ্যাস মেনে চললে শরীরকে আরও দীর্ঘ সময় ঠান্ডা ও আরামদায়ক রাখা সম্ভব।
আর্দ্রতা দূর রাখুন
গোসলের পর শরীর ভালোভাবে না শুকালে ঘাম ও আর্দ্রতা মিলে ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করে এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই গোসল শেষে শরীরের প্রতিটি ভাঁজ বিশেষ করে কব্জি, ঘাড়, বগল ও হাঁটুর পেছনের অংশগুলোতে তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে চেপে শুকিয়ে নিন। প্রয়োজনে এই জায়গাগুলোতে অল্প সময়ের জন্য ঠান্ডা ভেজা কাপড় বা আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে শরীর দ্রুত ঠান্ডা অনুভব করবে।
সুতির ও ঢিলেঢালা পোশাক বেছে নিন
এই গরমে সিন্থেটিক কাপড় শরীরের সবচেয়ে বড় শত্রু। এগুলো ত্বকের শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা দেয় এবং ঘাম আটকে রেখে অস্বস্তি বাড়ায়। এর পরিবর্তে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক ব্যবহার করুন। সুতির কাপড় ঘাম শোষণ করে এবং বাতাস চলাচলে সাহায্য করে, ফলে শরীর থাকে তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা ও স্বস্তিতে।
জিঙ্ক অক্সাইডের সঠিক ব্যবহার
ঘামাচি, র্যাশ বা ত্বকের জ্বালাপোড়ার সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জিঙ্ক অক্সাইড যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকে একটি সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা ঘামজনিত জ্বালাপোড়া ও র্যাশ কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে শিশু ও সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এটি বেশি উপকারী।
যেমন পাউডার ব্যবহার করবেন
যদি একান্তই পাউডার ব্যবহার করতে হয়, তাহলে সাধারণ ট্যাল্ক-ভিত্তিক পাউডার এড়িয়ে চলাই ভালো। এর বদলে ট্যাল্ক-ফ্রি বা কর্নস্টার্চ-ভিত্তিক পাউডার বেছে নিন। এগুলো তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং ত্বকের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, ক্ষতি কম করে।
প্রকৃতির ছোঁয়ায় রাখুন
কৃত্রিমভাবে শরীর ঠান্ডা রাখার চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। অ্যালোভেরা জেল বা ক্যালামাইন যুক্ত হালকা জেল-ভিত্তিক বডি লোশন ত্বককে শান্ত করে এবং দীর্ঘ সময় সতেজ রাখে। এগুলো ত্বকের জ্বালাপোড়া কমায়, আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং গরমে স্বস্তি দেয়।
ঘরোয়া হাইড্রেশন বজায় রাখুন
শরীর ঠান্ডা রাখতে শুধু বাইরের যত্ন নয়, ভেতর থেকেও যত্ন দরকার। পর্যাপ্ত পানি পান করুন, ডাবের পানি, লেবু পানি বা হালকা শরবত খেতে পারেন। শরীরে পানির ঘাটতি হলে ঘাম বাড়ে এবং শরীর আরও বেশি গরম অনুভব করে।
এই গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য সবসময় কেমিক্যাল পণ্যের ওপর নির্ভর করা জরুরি নয়। ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলোই গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে, ফেমিনা, এনডিটিভি
- আরও পড়ুন:
ত্বক পরিষ্কার করতে সাবান নাকি বডি ওয়াশ কোনটি বেশি ভালো
যেভাবে সিরাম ব্যবহার করলে পাবেন গ্লাস স্কিন
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?