গরুর দড়ি ধরে ঘরে ফেরার আনন্দ নেই: সিয়াম

ঈদুল আজহা এলে সাধারণ মানুষের মতো শোবিজ তারকারাও ফিরে যান শৈশব কৈশোরের স্মৃতির কাছে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ ফেলে আসা দিনের স্মৃতি থেকে জানালেন কোরবানির পশু কিনতে যাওয়ার গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের শৈশবের ঈদ স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই অভিনেতা। সিয়াম জানান ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে গরুর হাটে যাওয়ার আনন্দই ছিল আলাদা। হাটজুড়ে ঘুরে ঘুরে গরু দেখা পছন্দ করা দরদাম করা সবকিছুতেই ছিল এক অন্যরকম উচ্ছ্বাস। আর গরু কেনা হয়ে গেলে দড়ি ধরে সেটিকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার মুহূর্তটাই ছিল তার কাছে সবচেয়ে আনন্দের। সিয়াম বলেন ‘ছোটবেলায় আমার প্রায়ই মনে হতো যদি গরু কেনার টাকাটা বাবাকে আমি দিতে পারতাম তাহলে হয়তো আরও অনেক বেশি ভালো লাগত।’ সময়ের সঙ্গে বদলেছে বাস্তবতা। এখন তিনি প্রতিষ্ঠিত শোবিজে তার কদরের ঘাটতি নেই। সেই ছোটবেলার অপূর্ণ ইচ্ছাটিও পূরণ হয়েছে অনেক আগেই। সিয়াম আহমেদ জানান উপার্জন শুরু করার পর থেকেই প্রতি ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু কেনার জন্য বাবার হাতে আলাদা করে টাকা তুলে দেন তিনি। নিজের উপার্জনের টাকায় বাবার পাশে দাঁড়াতে পারার অনুভূতিকে জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি ব

গরুর দড়ি ধরে ঘরে ফেরার আনন্দ নেই: সিয়াম
ঈদুল আজহা এলে সাধারণ মানুষের মতো শোবিজ তারকারাও ফিরে যান শৈশব কৈশোরের স্মৃতির কাছে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ ফেলে আসা দিনের স্মৃতি থেকে জানালেন কোরবানির পশু কিনতে যাওয়ার গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের শৈশবের ঈদ স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই অভিনেতা। সিয়াম জানান ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে গরুর হাটে যাওয়ার আনন্দই ছিল আলাদা। হাটজুড়ে ঘুরে ঘুরে গরু দেখা পছন্দ করা দরদাম করা সবকিছুতেই ছিল এক অন্যরকম উচ্ছ্বাস। আর গরু কেনা হয়ে গেলে দড়ি ধরে সেটিকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার মুহূর্তটাই ছিল তার কাছে সবচেয়ে আনন্দের। সিয়াম বলেন ‘ছোটবেলায় আমার প্রায়ই মনে হতো যদি গরু কেনার টাকাটা বাবাকে আমি দিতে পারতাম তাহলে হয়তো আরও অনেক বেশি ভালো লাগত।’ সময়ের সঙ্গে বদলেছে বাস্তবতা। এখন তিনি প্রতিষ্ঠিত শোবিজে তার কদরের ঘাটতি নেই। সেই ছোটবেলার অপূর্ণ ইচ্ছাটিও পূরণ হয়েছে অনেক আগেই। সিয়াম আহমেদ জানান উপার্জন শুরু করার পর থেকেই প্রতি ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু কেনার জন্য বাবার হাতে আলাদা করে টাকা তুলে দেন তিনি। নিজের উপার্জনের টাকায় বাবার পাশে দাঁড়াতে পারার অনুভূতিকে জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি বলেই মনে করেন এই অভিনেতা। তবে এই প্রাপ্তির মাঝেও কোথাও যেন রয়ে গেছে এক টুকরো শূন্যতা। সিয়ামের ভাষায় দায়িত্ব আর ব্যস্ততার ভিড়ে হারিয়ে গেছে ছোটবেলার সেই নিখাদ আনন্দ। এখন আর গরুর দড়ি ধরে বাড়ি ফেরার সেই উচ্ছ্বাস অনুভব করেন না তিনি। শৈশবের সেই স্মৃতিগুলোই আজও সিয়াম আহমেদের ঈদকে বিশেষ করে তোলে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow