গাঁজা সেবনকালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আটক
গাঁজা সেবনকালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) সাবেক এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-২-এর ১২তম তলায় তাকে গাঁজা সেবন করতে দেখেন শিক্ষার্থীরা। পরে আনসারদের জানালে হাতেনাতে আটক করে তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়।
সাবেক ওই শিক্ষার্থীর নাম সোহরাব আলী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের (ষষ্ঠ ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন। সোহরাব আলীর বাড়ি পাবনা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নলদাহ এলাকায়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও একই অভিযোগে তাকে দুবার আটক করা হয়েছিল। এ ছাড়াও অভিযোগ আছে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ।
আটকের পর সোহরাব আলী বলেন, আমি মাঝে মধ্যে আমার ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসি। আমি ভালো গান করি, এজন্য মাঝে মধ্যে একটু গাঁজা সেবন করি। আমি কথা দিচ্ছি, ভবিষ্যতে আর এমন করব না।
আনসার সদস্য মনোয়ার হোসেন বলেন, দুপুর ১টার দিকে ফোনে খবর পাই যে অ্যাকাডেমিক ভবন-২-এর ১২তম তলায় একজন গাঁজা সেবন করছেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি।
এ বিষয়ে তার ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযো
গাঁজা সেবনকালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) সাবেক এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-২-এর ১২তম তলায় তাকে গাঁজা সেবন করতে দেখেন শিক্ষার্থীরা। পরে আনসারদের জানালে হাতেনাতে আটক করে তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়।
সাবেক ওই শিক্ষার্থীর নাম সোহরাব আলী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের (ষষ্ঠ ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন। সোহরাব আলীর বাড়ি পাবনা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নলদাহ এলাকায়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও একই অভিযোগে তাকে দুবার আটক করা হয়েছিল। এ ছাড়াও অভিযোগ আছে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ।
আটকের পর সোহরাব আলী বলেন, আমি মাঝে মধ্যে আমার ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসি। আমি ভালো গান করি, এজন্য মাঝে মধ্যে একটু গাঁজা সেবন করি। আমি কথা দিচ্ছি, ভবিষ্যতে আর এমন করব না।
আনসার সদস্য মনোয়ার হোসেন বলেন, দুপুর ১টার দিকে ফোনে খবর পাই যে অ্যাকাডেমিক ভবন-২-এর ১২তম তলায় একজন গাঁজা সেবন করছেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি।
এ বিষয়ে তার ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাকে আমরা কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। বেশ কিছুদিন ধরে সে অস্বাভাবিক আচরণ করছে। অনেক বোঝানোর পরও তাকে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত রাখতে পারিনি।
এ বিষয়ে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল হক বলেন, আমরা মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন করব। মাদক সেবনে নিরুৎসাহিত করব। যাতে কেউ ক্যাম্পাসে মাদকসেবন না করে। এ বিষয়ে শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান করবো। পরে বহিরাগত কেউ এটা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।