গাইবান্ধায় তিন অবৈধ ইটভাটাকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধের নির্দেশ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পরিবেশ আইন অমান্য করে পরিচালিত অবৈধ তিন ইটভাটাকে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একইসঙ্গে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তিন ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‎বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তর গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে এই আদেশ দেন। ‎ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার মেসার্স বি এম কে–২ ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা, মেসার্স এ আর বি ব্রিকসকে ৪ লাখ টাকা এবং মেসার্স সেভেন স্টার ব্রিকসকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয় এবং ওই ইট ভাটা তিনটিকে ইট পোড়ানো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। ‎অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ঢাকার মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. শের আলম। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রোমেন পাল, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর

গাইবান্ধায় তিন অবৈধ ইটভাটাকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা, বন্ধের নির্দেশ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পরিবেশ আইন অমান্য করে পরিচালিত অবৈধ তিন ইটভাটাকে মোট ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একইসঙ্গে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তিন ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে পরিবেশ অধিদপ্তর গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে এই আদেশ দেন।

‎ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার মেসার্স বি এম কে–২ ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা, মেসার্স এ আর বি ব্রিকসকে ৪ লাখ টাকা এবং মেসার্স সেভেন স্টার ব্রিকসকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয় এবং ওই ইট ভাটা তিনটিকে ইট পোড়ানো বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

‎অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ঢাকার মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. শের আলম।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রোমেন পাল, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

‎এসময় ‎এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল বলেন, অবৈধ ইটভাটার কারণে এলাকায় বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষিজমি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আনোয়ার আল শামীম/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow