গাছের মগডালে যুবক, আজান দিয়ে নামাল স্থানীয়রা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রাতের আঁধারে গাছের মগডালে উড়ে চেঁচামেচি করছে মো. মিনহাজ উদ্দিন (২৬) নামের এক যুবক। পরে আজান দিলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দড়ি দিয়ে বেঁধে নামিয়ে নিচে আনা হয়। সোমবার (১২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেই ওই এলাকার মো. জানে আলমের পুত্র। স্থানীয় যুবক নাজিম উদ্দিন বলেন, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মিনহাজ তার ঘরের পিছনে গাছের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ডালপালা কাটেন। মাগরিবের পর থেকে তিনি হঠাৎ পরিবারের অন্য সদস্যদের উদ্দেশে উদ্ভট ধরনের কথার এক পর্যায়ে বলেন, ‘তোমাদের চারজনের সঙ্গে আমি পারব না, গাছটি আমি কেটে ফেলব’। এক পর্যায়ে সে দৌড়ে গিয়ে দুপুরে যে স্থানে গাছ কেটেছিল ওই গাছের নিচে চলে যায়। আশ্চর্যের বিষয়, প্রায় তিন সেকেন্ডের মধ্যে ৩০ ফুট উচ্চ গাছের মগডালে গিয়ে বসে চেঁচামেচি করে এবং হিংস্র প্রাণীর মতো বিভিন্ন ধরনের শব্দ করতে থাকে। তাকে নেমে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানালেও সে নামেনি। তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে স্থানীয়রা যখন আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে আজান দিতে থাকে তখন সে নিস্তব্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রাতের আঁধারে গাছের মগডালে উড়ে চেঁচামেচি করছে মো. মিনহাজ উদ্দিন (২৬) নামের এক যুবক। পরে আজান দিলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দড়ি দিয়ে বেঁধে নামিয়ে নিচে আনা হয়।
সোমবার (১২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা সলিমপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেই ওই এলাকার মো. জানে আলমের পুত্র।
স্থানীয় যুবক নাজিম উদ্দিন বলেন, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মিনহাজ তার ঘরের পিছনে গাছের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ডালপালা কাটেন। মাগরিবের পর থেকে তিনি হঠাৎ পরিবারের অন্য সদস্যদের উদ্দেশে উদ্ভট ধরনের কথার এক পর্যায়ে বলেন, ‘তোমাদের চারজনের সঙ্গে আমি পারব না, গাছটি আমি কেটে ফেলব’। এক পর্যায়ে সে দৌড়ে গিয়ে দুপুরে যে স্থানে গাছ কেটেছিল ওই গাছের নিচে চলে যায়। আশ্চর্যের বিষয়, প্রায় তিন সেকেন্ডের মধ্যে ৩০ ফুট উচ্চ গাছের মগডালে গিয়ে বসে চেঁচামেচি করে এবং হিংস্র প্রাণীর মতো বিভিন্ন ধরনের শব্দ করতে থাকে। তাকে নেমে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানালেও সে নামেনি।
তিনি আরও বলেন, এক পর্যায়ে স্থানীয়রা যখন আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে আজান দিতে থাকে তখন সে নিস্তব্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গাছের উপর। পরে স্থানীয়রা তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে উপর থেকে নামায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে বাড়িতে আছে।
স্থানীয় যুবক সাহেদুর রহমান রিমন বলেন, তাদের ঘরের পিছন থেকে পূর্বে বেশ কয়েকবার তার মায়ের উপরও অদৃশ্য ঘটনা ঘটে। এগুলো কী কারণে হচ্ছে কিছুই বুঝা যাচ্ছে না। এলাকার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আল মামুন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি, ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
What's Your Reaction?