গাজাসহ ৪ দেশে হাফেজ্জী চ্যারিটেবলের কোরবানি ও ত্রাণ কার্যক্রম

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাজা, সুদান, মিশর ও বাংলাদেশে একযোগে কোরবানি ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এইচসিএসবি)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত তারা ৪৪টি গরু, ১টি উট এবং ১৩টিরও বেশি দুম্বা ও ছাগল কোরবানি সম্পন্ন করেছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, গাজা ভূখণ্ডে যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে পশুর উচ্চমূল্য বিবেচনায় তারা ভিন্নধর্মী পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। সেখানে প্রায় ১৫ মণ কোরবানির গোশত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্র ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেখানে জরুরি খাদ্য সহায়তাও প্রদান করা হচ্ছে। অন্যদিকে, গৃহযুদ্ধকবলিত সুদানের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে বারাকা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ৩টি গরু ও ৩টি ছাগল কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজা ও সুদানের শরণার্থীদের জন্য ৪টি গরু, ১টি উট এবং ৬টি দুম্বা ও খাসি কোরবানি করা হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৭টি গরু ও ৪টি ছাগল কোরবানির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই গোশত দেশের বিভিন্ন

গাজাসহ ৪ দেশে হাফেজ্জী চ্যারিটেবলের কোরবানি ও ত্রাণ কার্যক্রম

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গাজা, সুদান, মিশর ও বাংলাদেশে একযোগে কোরবানি ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এইচসিএসবি)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত তারা ৪৪টি গরু, ১টি উট এবং ১৩টিরও বেশি দুম্বা ও ছাগল কোরবানি সম্পন্ন করেছে।

সংস্থাটির তথ্যমতে, গাজা ভূখণ্ডে যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে পশুর উচ্চমূল্য বিবেচনায় তারা ভিন্নধর্মী পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। সেখানে প্রায় ১৫ মণ কোরবানির গোশত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্র ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর মাঝে পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেখানে জরুরি খাদ্য সহায়তাও প্রদান করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, গৃহযুদ্ধকবলিত সুদানের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে বারাকা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ৩টি গরু ও ৩টি ছাগল কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিশরে আশ্রয় নেওয়া গাজা ও সুদানের শরণার্থীদের জন্য ৪টি গরু, ১টি উট এবং ৬টি দুম্বা ও খাসি কোরবানি করা হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩৭টি গরু ও ৪টি ছাগল কোরবানির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই গোশত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিবন্ধী পরিবার, এতিম, বিধবা ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। কোরবানির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিশুদ্ধ পানি, তাবু ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

এইচসিএসবির দাবি অনুযায়ী, গাজার একাধিক হাসপাতাল তাদের মানবিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। এছাড়া আল জাজিরা ও ফিলিস্তিন টিভির মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তাদের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত এক বছরে তারা প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন, শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে এক কোটি টাকারও বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

এইচসিএসবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। দাতাদের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত আমানত বা অনুদান যেন সঠিক নিয়মে প্রকৃত প্রাপকের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow