গাজায় বিধ্বস্ত বাড়ির ধ্বংসস্তূপে মিলল ১১২ মরদেহ
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের জানাজা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজারো ফিলিস্তিনি অংশ নেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটির সাবরা এলাকায় ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িগুলোর পাশে ফিলিস্তিনের পতাকায় মোড়ানো মরদেহগুলো রাখা হয়। জানাজা শেষে মরদেহগুলো গাজা সিটির দক্ষিণে জেইতুন এলাকার ব্যাপ্টিস্ট কবরস্থানে দাফন করা হবে। নিহতরা আল-হাসায়নেহ ও আবু শারিয়া পরিবারের সদস্য। ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর নিজেদের বাড়িতে অবস্থানকালে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তারা নিহত হন। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, গত শনিবার উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে ৪০ জন শিশু, ৩৮ জন নারী এবং সাতজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন। তবে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ থাকা আরও ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নিহতের সংখ্যার কারণে এ জানাজাকে ফিলিস্তিনের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ গণজানাজা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হও
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের জানাজা মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজারো ফিলিস্তিনি অংশ নেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গাজা সিটির সাবরা এলাকায় ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িগুলোর পাশে ফিলিস্তিনের পতাকায় মোড়ানো মরদেহগুলো রাখা হয়। জানাজা শেষে মরদেহগুলো গাজা সিটির দক্ষিণে জেইতুন এলাকার ব্যাপ্টিস্ট কবরস্থানে দাফন করা হবে।
নিহতরা আল-হাসায়নেহ ও আবু শারিয়া পরিবারের সদস্য। ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর নিজেদের বাড়িতে অবস্থানকালে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তারা নিহত হন।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, গত শনিবার উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে ৪০ জন শিশু, ৩৮ জন নারী এবং সাতজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন।
তবে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ থাকা আরও ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
নিহতের সংখ্যার কারণে এ জানাজাকে ফিলিস্তিনের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ গণজানাজা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। এছাড়া ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও হামলা অব্যাহত রয়েছে। এ সময়ে আরও ১ হাজার ২৫০ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১১০ জন আহত হয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ধারণা, গাজাজুড়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছেন।
What's Your Reaction?