গাজায় শেষ বন্দির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা উপত্যকা থেকে শেষ বন্দি রান গিভিলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরবর্তী ধাপে এগোনোর পথ পরিষ্কার হলো বলে দাবি করেছে তারা। এই ঘোষণার আগে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের সামরিক শাখা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় ইসরায়েলের কাছে শেষ বন্দির মরদেহ হস্তান্তরের সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তারা মধ্যস্থতাকারীদের কাছে সব তথ্য দিয়েছে। ইসরায়েল এর আগে বলেছিল, উদ্ধার অভিযান শেষ হলে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়া হবে। তবে সেটি কেবল সীমিত পরিসরে এবং শুধু মানুষের চলাচলের জন্য অনুমোদিত থাকবে। সোমবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষ বন্দির দেহ প্রাপ্তির মধ্য দিয়েও ইসরায়েলি আগ্রাসন সহসা থামছে না। বিশেষ করে অধিকৃত পশ্চিম তীরে চলমান অভিযান এমন ইঙ্গিত দিচ্ছে। জানা গেছে, কাফর আকাব শহরে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি ভবন খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। এসবের মধ্যে স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনও রয়েছে বলে জানা গেছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযা

গাজায় শেষ বন্দির মরদেহ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা উপত্যকা থেকে শেষ বন্দি রান গিভিলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরবর্তী ধাপে এগোনোর পথ পরিষ্কার হলো বলে দাবি করেছে তারা। এই ঘোষণার আগে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের সামরিক শাখা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় ইসরায়েলের কাছে শেষ বন্দির মরদেহ হস্তান্তরের সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তারা মধ্যস্থতাকারীদের কাছে সব তথ্য দিয়েছে। ইসরায়েল এর আগে বলেছিল, উদ্ধার অভিযান শেষ হলে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়া হবে। তবে সেটি কেবল সীমিত পরিসরে এবং শুধু মানুষের চলাচলের জন্য অনুমোদিত থাকবে। সোমবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষ বন্দির দেহ প্রাপ্তির মধ্য দিয়েও ইসরায়েলি আগ্রাসন সহসা থামছে না। বিশেষ করে অধিকৃত পশ্চিম তীরে চলমান অভিযান এমন ইঙ্গিত দিচ্ছে। জানা গেছে, কাফর আকাব শহরে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি ভবন খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। এসবের মধ্যে স্কুল ও কিন্ডারগার্টেনও রয়েছে বলে জানা গেছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ৪৮০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow