গাজীপুরে একটি গ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপিত

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে গাজীপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের মসজিদে উদযাপিত হয়েছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা। বুধবার (২৭ মে) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব ডগরি এলাকার দারুল ইরফান জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা এতে অংশ নেন। ভোর থেকেই মুসল্লিরা নতুন পোশাক পরে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মসজিদে এসে নামাজ আদায় করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে জয়দেবপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। চাঁদ দেখা ও শরীয়তের বিধান অনুসরণ করে ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে উল্লেখ করে দারুল ইরফান জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও খতিব ডা. মাওলানা এ কে এম মাহবুবুর রহমান বলেন, নবচন্দ্র (হিলাল) ও শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আমরা আজ ঈদুল আযহা পালন করছি। কারও প্রতি কোনো হিংসা-বিদ্বেষ নেই। সঠিক মাসআলা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে আসার আহ্বান জানাই। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়ায় অংশ নিয়ে অনেক মুসল্লিকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। ঈদের জামাতে অংশ নিতে আসা এক ম

গাজীপুরে একটি গ্রামে ঈদুল আযহা উদযাপিত

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে গাজীপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের মসজিদে উদযাপিত হয়েছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা।

বুধবার (২৭ মে) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব ডগরি এলাকার দারুল ইরফান জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় কয়েকটি পরিবারের সদস্যরা এতে অংশ নেন। ভোর থেকেই মুসল্লিরা নতুন পোশাক পরে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মসজিদে এসে নামাজ আদায় করেন।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে জয়দেবপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

চাঁদ দেখা ও শরীয়তের বিধান অনুসরণ করে ঈদ উদযাপন করা হচ্ছে উল্লেখ করে দারুল ইরফান জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও খতিব ডা. মাওলানা এ কে এম মাহবুবুর রহমান বলেন, নবচন্দ্র (হিলাল) ও শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আমরা আজ ঈদুল আযহা পালন করছি। কারও প্রতি কোনো হিংসা-বিদ্বেষ নেই। সঠিক মাসআলা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে আসার আহ্বান জানাই।

নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়ায় অংশ নিয়ে অনেক মুসল্লিকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।

ঈদের জামাতে অংশ নিতে আসা এক মুসল্লি জানান, আজকে ঈদুল আযহার নামাজ পড়তে খুব ভালো লাগছে। পরিবারের সঙ্গে নামাজ আদায় করেছি। পরে সবাই মিলে কোলাকুলি করেছি, মিষ্টিমুখ করেছি।

শিশুরাও ঈদের আনন্দে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। নতুন জামা, টুপি ও পাঞ্জাবি পরে বাবার হাত ধরে তারা আসে ঈদের জামাতে। নামাজ শেষে কোলাকুলি ও মিষ্টিমুখে ব্যস্ত সময় কাটায়।

নামাজ, দোয়া, কোলাকুলি ও মিষ্টিমুখের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় ঈদ উদযাপন। নামাজের পরে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে স্থানীয়ভাবে ঈদ উদযাপনের এই ধারা কয়েক বছর ধরে চলে আসছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow